স্বাস্থ্যবিধি
প্রাথমিক বিজ্ঞান
চতুর্থ শ্রেণি
প্রশ্ন: পানিবাহিত রোগের দুইটি কারণ উল্লেখ কর।
উত্তর: পানিবাহিত রোগের দুইটি কারণ হলো- ১. দূষিত পানি পান করা ও ২. দূষিত পানি দ্বারা গোসল করা।
প্রশ্ন: পানিবাহিত তিনটি রোগের নাম লেখ।
উত্তর: পানিবাহিত তিনটি রোগের নাম হলো- ১. ডায়রিয়া, ২. কলেরা ও ৩. আমাশয়।
প্রশ্ন: স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন কেন?
উত্তর: সুস্থ জীবন যাপন করা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সুস্থ থাকতে এবং জীবনকে সুন্দর করতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন।
প্রশ্ন: সুস্থ থাকার তিনটি উপায় লেখ।
উত্তর: সুস্থ থাকার তিনটি উপায় হলো-
১. সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।
২. নিয়মিত শরীরচর্চা করা।
৩. শরীর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
প্রশ্ন: নিরাপদ পানির তিনটি উৎসের নাম লেখ।
উত্তর: নিরাপদ পানির তিনটি উৎস হলো-
১. গভীর নলকূপ,
২. ঝরনার পানি ও
৩. বৃষ্টির পানি।
প্রশ্ন: নিয়মিত শরীরচর্চার তিনটি উপকারিতা লেখ।
উত্তর: নিয়মিত শরীরচর্চার তিনটি উপকারিতা হলো-
১. আমাদের হৃৎপিণ্ড শক্তিশালী করে।
২. আমাদের মাংসপেশি ও হাড়কে শক্তিশালী করে।
৩. আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে এবং রাতে ঘুমাতে সাহয্য করে।
প্রশ্ন: ক্লান্তি দূর করার তিনটি উপায় লেখ।
উত্তর: ক্লান্তি দূর করার তিনটি উপায় হলো-
১. পছন্দের বই পড়া,
২. বাগান করা ও
৩. পছন্দের গান শোনা।
প্রশ্ন: তিনটি শখের কাজের উদাহরণ দাও।
উত্তর: তিনটি শখের কাজের উদাহরণ হলো-
১. বই পড়া,
২. বাগান করা ও
৩. পছন্দের গান শোনা।
প্রশ্ন: পরিশ্রমের পর ক্লান্তি দূর করার তিনটি উপায় লেখ।
উত্তর: পরিশ্রমের পর ক্লান্তি দূর করার তিনটি উপায় হলো-
১. প্রতিদিনই কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়া,
২. পছন্দের গান শোনা ও
৩. ফুলের বাগান করা।
প্রশ্ন: নিয়মিত শরীরচর্চা কেন প্রয়োজন?
উত্তর: নিয়মিত শরীরচর্চা আমাদের হৃৎপিণ্ড, মাংসপেশি এবং হাড় শক্তিশালী করে। একই সাথে এটি আমাদের আত্মবিশ্বাসী করে এবং রাতে ভালো ঘুমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন: পানিবাহিত রোগ কী?
উত্তর: জীবাণু দ্বারা দূষিত পানির মাধ্যমে যে সকল রোগ ছড়ায় সেগুলোই পানিবাহিত রোগ। যেমন- ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জন্ডিস ইত্যাদি।
প্রশ্ন: পানিবাহিত রোগের তিনটি লক্ষণ লেখ।
উত্তর: পানিবাহিত রোগের তিনটি লক্ষণ হলো-
১. পাতলা পায়খানা হওয়া,
২. পেট ব্যথা করা ও
৩. বমি হওয়া।
প্রশ্ন: পানি নিরাপদ করার তিনটি উপায় লেখ।
উত্তর: পানি নিরাপদ করার তিনটি উপায় হলো-
১. ফুটানো,
২. বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করা ও
৩. ফিল্টার করা।
প্রশ্ন: কীভাবে খাবার স্যালাইন তৈরি করা যায়?
উত্তর: আধা লিটার নিরাপদ পানিতে এক চিমটি লবণ এবং এক মুঠো চিনি বা গুড় মিশিয়ে খাবার স্যালাইন তৈরি করা যায়। এছাড়াও খাবার স্যালাইন বাজারে কিনতে পাওয়া যায়।
প্রশ্ন: স্বাস্থ্যবিধি বলতে কী বোঝ?
উত্তর: সুস্থ থাকতে এবং জীবনকে সুন্দর করতে যে বিধি মেনে চলা প্রয়োজন তাই হলো স্বাস্থ্যবিধি। স্বাস্থ্যবিধি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। সুস্থ থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা।
প্রশ্ন: শরীরের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন কেন?
উত্তর: শরীরের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন কারণ- শরীরের ক্ষয়পূরণ এবং বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন হয়। তাই ভালো ঘুমের জন্য আমাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়া উচিত।
প্রশ্ন: ডায়রিয়া রোগ প্রতিরোধের তিনটি উপায় লেখ।
উত্তর: ডায়রিয়া রোগ প্রতিরোধের উপায় হলো-
১. নিরাপদ পানি ব্যবহার,
২. হাত ধোয়া ও
৩. টয়লেট পরিষ্কার রাখা।
প্রশ্ন: শরীরের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন কেন?
উত্তর: শরীরের ক্ষয়পূরণ এবং বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন।
প্রশ্ন: পানিকে কীভাবে নিরাপদ করা যায়?
উত্তর: পানিকে ফুটিয়ে, ফিল্টার করে এবং বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করে নিরাপদ করা যায়।
প্রশ্ন: বন্যার সময়ে দূষিত পানি বিশুদ্ধ করার একটি উপায় লেখ।
উত্তর: বন্যার সময় দূষিত পানি বিশুদ্ধ করার একটি উপায় হলো পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করা।
প্রশ্ন: নিয়মিত বিশ্রাম প্রয়োজন কেন?
উত্তর: ক্লান্তি দূর করা এবং নতুন উদ্যমে কাজ করার জন্য নিয়মিত বিশ্রাম প্রয়োজন।
প্রশ্ন: স্বাস্থ্যবিধি কী?
উত্তর: সুস্থ থাকতে এবং জীবনকে সুন্দর করতে যে বিধি মেনে চলা প্রয়োজন তাই হলো স্বাস্থ্যবিধি।
প্রশ্ন: পরিশ্রমের পর ক্লান্তি দূর করার দুইটি উপায় লেখ।
উত্তর: পরিশ্রমের পর ক্লান্তি দূর করার দুইটি উপায় হলো- পরিমিত বিশ্রাম ও বইপড়া।
প্রশ্ন: শখের কাজের উপকারিতা কী?
উত্তর: শখের কাজ আমাদের শরীরের ক্লান্তি দূর করে।
প্রশ্ন: পানি বিশুদ্ধ বা নিরাপদ করার তিনটি উপায় লেখ।
উত্তর: পানি বিশুদ্ধ বা নিরাপদ করার তিনটি উপায় হলো-
১. পানি ফুটিয়ে নিরাপদ করা।
২. পানি ফিল্টার করে নিরাপদ করা।
৩. পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করে পানি নিরাপদ করা।
প্রশ্ন: আমরা কীভাবে পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হই?
উত্তর: দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে যেমন- পান করা, খাবার রান্না করা, গোসল করা, ধোয়া-মোছা বা দাঁত ব্রাশ করার সময় আমরা পানি ব্যবহার করি। এসব কাজে দূষিত পানি ব্যবহার করলে আমরা পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হই।
বর্ণনামূলক প্রশ্ন
প্রশ্ন: কীভাবে পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করা যায়?
উত্তর: পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধ করার উপায় হলো—
১. পানিতে জীবাণুর বিস্তার রোধ করা।
২. সবসময় নিরাপদ পানি পান করা।
৩. খাবার তৈরি এবং গোসল করার জন্য নিরাপদ পানি ব্যবহার করা।
৪. খাবার খাওয়ার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান এবং নিরাপদ পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া।
৫. স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করা এবং ব্যবহারের পর তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।
প্রশ্ন: শরীর সুস্থ রাখতে হলে আমাদের কী কী করতে হবে?
উত্তর: শরীর সুস্থ রাখতে হলে আমাদের নিচের কাজগুলো করতে হবে-
১. প্রতিদিন সুষম খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপদ পানি পান করতে হবে।
২. নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করতে হবে।
৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যেতে হবে।
৪. প্রতিদিনই কিছু সময় বিশ্রাম নিতে হবে।
৫. শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য যত্নবান হতে হবে।
মোটকথা শরীর সুস্থ রাখার জন্য সুস্থ থাকার সকল অভ্যাসকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রশ্ন: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার উপায়সমূহ বর্ণনা কর।
উত্তর: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার উপায়সমূহ হলো-
১. প্রতিদিন পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে গোসল করতে হবে।
২. খাওয়ার পূর্বে ও পরে হাত ধুতে হবে।
৩. খাওয়ার পর নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
৪. নিয়মিত জামাকাপড় পরিষ্কার করতে হবে।
৫. ত্বক, চুল, নখ, চোখ এবং কানের যত্ন নিতে হবে।
প্রশ্ন: দূষিত পানি কীভাবে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তিনটি বাক্যে লেখ? শরীর সুস্থ রাখতে হলে আমাদের কী কী করতে হবে?
উত্তর: দূষিত পানি বিভিন্ন উপায়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যেমন-
১. সরাসরি দূষিত পানি পান করার মাধ্যমে।
২. দূষিত পানি ব্যবহার করে রান্না করলে।
৩. দূষিত পানি দিয়ে মুখ ও হাত ধোয়ার সময়।
শরীর সুস্থ রাখতে হলে আমাদের নিচের কাজগুলো করতে হবে-
১. প্রতিদিন সুষম খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণ নিরাপদ পানি পান করতে হবে।
২. নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলা করতে হবে।
৩. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যেতে হবে।
৪. প্রতিদিনই কিছু সময় বিশ্রাম নিতে হবে।
৫. শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য যত্নবান হতে হবে।
প্রশ্ন: কখন ভালোভাবে হাত ধুতে হবে? ধারাবাহিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়মগুলো উল্লেখ কর।
উত্তর: খাবার খাওয়ার আগে, খাবার তৈরির আগে, খেলাধুলার পর, টয়লেট ব্যবহার করার পর সাবান এবং নিরাপদ
পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। ধারাবাহিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়মগুলো উল্লেখ করা হলো-
১. পানি দিয়ে হাত ভেজানো,
২. সাবান মাখানো,
৩. ১৫ – ২০ সেকেন্ড হাত ঘষা,
৪. হাত ধুয়ে ফেলা, ৫. হাত ধোয়ার পর কল বন্ধ করা ও
৬. পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে হাত মোছা।
প্রশ্ন: পানি নিরাপদ করার দুইটি উপায় লেখ। ডায়রিয়া রোগের দুইটি লক্ষণ লেখ। এ রোগ হলে কী কী ব্যবস্থা নিবে তা চারটি বাক্যে লেখ।
উত্তর: পানি নিরাপদ করার দুইটি উপায় হলো-
১. পানি ফুটিয়ে নিরাপদ করা।
২. পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করে পানি নিরাপদ করা।
ডায়রিয়া রোগের দুইটি লক্ষণ হলো-
১. ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়া ও
২. পেট ব্যথা করা।
ডায়রিয়া হলে যেসব ব্যবস্থা নিতে হবে তা নিচে চারটি বাক্যে উপস্থাপন করা হলো-
১. খাবার স্যালাইন খেতে হবে।
২. স্যালাইনের পাশাপাশি উপযোগী স্বাভাবিক খাবার খেতে হবে।
৩. খাবার খাওয়ার আগে বা পরে ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৪. প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।
প্রশ্ন: নিয়মিত বিশ্রামের প্রয়োজন হয় কেন- ব্যাখ্যা কর। ক্লান্তি দূর করার চারটি উপায় লেখ।
উত্তর: দীর্ঘক্ষণ পরিশ্রমের পর বিশ্রাম না নিলে হৃৎপিণ্ড ও রক্ত চলাচল ব্যবস্থার উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বিশ্রাম শরীরের রক্তচাপ স্বাভাবিক করে, শক্তি পুনরুদ্ধার করে এবং ক্লান্তি দূর করে। তাই ক্লান্তি দূর করা এবং নতুন উদ্যমে কাজ করার জন্য নিয়মিত বিশ্রামের প্রয়োজন। ক্লান্তি দূর করার চারটি উপায়-হলো-
১. বিশ্রাম নেওয়া,
২. বই পড়া,
৩. বাগান করা ও
৪. পছন্দের গান শোনা।
প্রশ্ন: স্বাস্থ্যবিধি কী? সুস্থ থাকার দুইটি উপায় লেখ। শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য চারটি পরামর্শ দাও।
উত্তর: সুস্থ থাকতে এবং জীবনকে সুন্দর করতে যে বিধি মেনে চলা প্রয়োজন তাই হলো স্বাস্থ্যবিধি। স্বাস্থ্যবিধি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। সুস্থ থাকার দুইটি উপায় হলো-
১. নিয়মিত শরীরচর্চা করা ও
২. পর্যাপ্ত ঘুমানো।
শরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য চারটি পরামর্শ হলো-
১. প্রতিদিন পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে গোসল করতে হবে।
২. খাওয়ার পর নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করতে হবে।
৩. নিয়মিত জামাকাপড় পরিষ্কার করতে হবে।
৪. নিয়মিত ত্বক, চুল, নখ, চোখ এবং কানের যত্ন নিতে হবে।
প্রশ্ন: পানিবাহিত রোগ কাকে বলে? তিনটি পানিবাহিত | রোগের নাম লেখ। এ রোগ প্রতিরোধের জন্য তিনটি পরামর্শ লেখ।
উত্তর: জীবাণু দ্বারা দূষিত পানির মাধ্যমে যে সকল রোগ ছড়ায় তাদেরকে পানিবাহিত রোগ বলে।
তিনটি পানিবাহিত রোগের নাম হলো-
১. ডায়রিয়া,
২. কলেরা ও
৩. আমাশয়।
পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধের জন্য তিনটি পরামর্শ হলো-
১. নিরাপদ পানি ব্যবহার করা।
২. স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করা।
৩. সাবান ও নিরাপদ পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া।
উত্তরপত্র