গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকণিকা
বাংলা ২য় পত্র
পরীক্ষা ২০২৬
পরিচ্ছেদ ৫: ধ্বনি ও বর্ণ
- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো— ধ্বনি।
- ধ্বনি নির্দেশক প্রতীককে বলা হয়— বর্ণ।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি রয়েছে— ৩৭টি।
- বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি— ৩০টি।
- মৌলিক স্বরধ্বনি— ৭টি।
- স্বরবর্ণের মোট সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে— ১০টি।
- স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয়— কারবর্ণ
- ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম— অনুবর্ণ (ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ)।
- বাংলা যুক্তবর্ণ দুই রকম— স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।
- ক্ট, জ্জ, ঞ্ঝ ও দ্ম হলো— স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
- জ্জ, দ্দ, ল্ক, স্ট হলো— অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
- বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য সংখ্যাবর্ণ রয়েছে— ১০টি। যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ০।
পরিচ্ছেদ ৬: স্বরধ্বনি
- উচ্চারণের সময় জিভের উপরে ওঠা ও নিচে নামার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি— চার ভাগে বিভক্ত।
- উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিভ— উপরে ওঠে।
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি হলো— অ্যা।
- জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অনুযায়ী স্বরধ্বনি— তিন ভাগে বিভক্ত।
- স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয় তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি— চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়— ঠোঁট কম খোলে।
- বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়— ঠোঁট বেশি খোলে।
- স্বরধ্বনির অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে ব্যবহৃত হয়ে থাকে — চন্দ্রবিন্দু (ঁ)।
- বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি— চারটি। যথা: ই, উ, এ (য়) এবং ও।
- কোমল তালু খানিকটা নিচে নামিয়ে কিছুটা বায়ু নাক দিয়ে বের করে উচ্চারণ করা হয়— অনুনাসিক স্বরধ্বনি।
- যে স্বরধ্বনি আধাআধি উচ্চারিত হয় তাকে বলে— অর্ধস্বরধ্বনি।
- একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি ও একটি অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে তাকে বলে— দ্বিস্বরধ্বনি।
- দ্বিস্বরধ্বনির অপর নাম— সন্ধিস্বর।
- বাংলা বর্ণমালায় একটি পূর্ণস্বরধ্বনি ও একটি অর্ধস্বরধ্বনি রয়েছে— ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’-এর মধ্যে।
পরিচ্ছেদ ৭: ব্যঞ্জনধ্বনি
- বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা— ৩০টি।
- উচ্চারণ স্থান ও প্রকৃতি এবং ধ্বনির কম্পন ও বায়ুপ্রবাহ বিবেচনায় ব্যঞ্জনধ্বনি— চার ধরনের।
- উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনি— সাত প্রকার।
- ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনের অপর নাম— দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
- দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ— ত, থ, দ, ধ।
- চ, ছ, জ, ঝ, শ ধ্বনিগুলো— তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি।
- কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনের মুখ্য বাকপ্রত্যঙ্গ হলো— জিভের পিছনের অংশ।
- দুটি বাকপ্রত্যঙ্গ পরস্পর সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে উৎপন্ন ধ্বনি— ব্যঞ্জন।
- কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ হলো— র।
- ফুসফুস থেকে বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে এসে উৎপন্ন ধ্বনি হলো— পার্শ্বিক ধ্বনি।
- পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি হলো— ল।
- বায়ুপ্রবাহের বেগ কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনি— দুই ভাগে বিভক্ত।
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণকালে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম হয় সেগুলো— অঘোষ ধ্বনি।
- বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি এবং ‘হ’ হলো— মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন।
পরিচ্ছেদ ৮: বর্ণের উচ্চারণ
- শব্দের বানান ও উচ্চারণের মধ্যে রয়েছে— ভিন্নতা।
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মূল ধ্বনি উচ্চারণের জন্য বর্ণ রয়েছে— ৫০টি।
- ‘অ’ ধ্বনির উচ্চারণ দুই রকম— সাধারণ ‘অ’-এর মতো এবং ‘ও’-এর মতো।
- আদ্য ‘অ’-এর পরে দন্ত্য-ন আছে এমন একক্ষার শব্দের অ উচ্চারিত হয়— ও-রূপে।
- ‘আ’ বর্ণ দুভাবে উচ্চারিত হয়— স্বাভাবিক (আকাশ), ‘অ্যা’-এর মতো (জ্ঞান/গ্যাঁন)।
- বাংলা ভাষায় ‘ই’-এর উচ্চারণ— একরকম [ বিনা (বিনা), বীণা (বিনা)]।
- ধ্বনির হ্রস্বতা ও দীর্ঘতা বোঝানোর জন্য বর্ণ রয়েছে— দুটি।
- ‘ঋ’ বর্ণের উচ্চারণ— রি-এর মতো [ঋতু (রিতু)।]।
- ‘ঞ’ বর্ণের নিজস্ব কোনো ধ্বনি নেই; এর উচ্চারণ— অঁ (মিঞা), ন [চঞ্চল (চনচল)]।
- ফলা হিসেবে ‘ব’-এর উচ্চারণে— স্বাতন্ত্র্য রয়েছে।
- শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে— ম-ফলা যুক্ত বর্ণটি দ্বিত্ব ও সামান্য অনুনাসিক হয়।
- শব্দের মাঝে বা শেষে য-ফলা থাকলে— য-ফলা যুক্ত বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব হয়, কিন্তু ‘্য’-এর উচ্চারণ হয় না।
- ‘শ’ এর দুই রকম উচ্চারণ দেখা যায়— শত (শতো), শ্রমিক (স্রোমিক)।
- আদ্য ব-ফলা— অনুচ্চারিত থাকে।
পরিচ্ছেদ ৯: শব্দ ও পদের গঠন
- এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত শব্দের মূল অংশকে বলে— শব্দমূল।
- শব্দমূলের আরেক নাম— প্রকৃতি।
- প্রকৃতি সাধারণত— দুই ধরনের।
- ক্রিয়াপ্রকৃতির অন্য নাম— ধাতু।
- নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়ে তৈরি হয়— নতুন শব্দ।
- নতুন শব্দ গঠনে নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সাথে যুক্ত হয়— উপসর্গ ও প্রত্যয়।
- উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে বলা হয়— সাধিত শব্দ।
- উপসর্গ বসে— শব্দমূলের পূর্বে।
- প্রত্যয় বসে— শব্দমূলের পরে।
- শব্দমূল ও শব্দের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে তাকে বলে— লগ্নক।
- লগ্নক— চার প্রকারের।
- বিভক্তির প্রকারভেদ হলো— ক্রিয়াবিভক্তি ও কারক-বিভক্তি।
- পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্যকে জোরালো করে— বলক।
- শব্দ শুধুমাত্র— রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- পদ আলোচিত হয়— রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্ব উভয়টিতে।
পরিচ্ছেদ ১০ : উপসর্গ দিয়ে শব্দ গঠন
- উপসর্গ নিজের— অর্থ নেই।
- উপসর্গ কোনো শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে— তার অর্থ বদলে দেয়।
- নতুন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে উপসর্গ বসে— শব্দের শুরুতে।
- উপসর্গের নিজস্ব অর্থ না থাকলেও আছে— অর্থদ্যোতনার ক্ষমতা।
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ— ২১টি।
- তৎসম উপসর্গ— ২০টি।
- উপসর্গের কাজ— নতুন শব্দ তৈরি ও শব্দের অর্থ পরিবর্তন।
- অর্থের সম্প্রসারণের উদাহরণ— সম্ + পূর্ণ = সম্পূর্ণ।
- অভাব অর্থে অনা-উপসর্গের প্রয়োগের দৃষ্টান্ত- অনাবৃষ্টি
- ‘অপকর্ম’ শব্দে অপ- উপসর্গ যুক্ত হয়েছে— ‘নিকৃষ্ট’ বোঝাতে।
- ‘পাতিহাঁস’ শব্দে পাতি- উপসর্গ যুক্ত হয়েছে— ছোটো বোঝাতে।
- ‘অভিযান’ শব্দে অভি- উপসর্গ যুক্ত হয়েছে— গমন বোঝাতে।
পরিচ্ছেদ ১১ : প্রত্যয় দিয়ে শব্দ গঠন
- শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত অর্থহীন শব্দাংশকে বলে— প্রত্যয়।
- শব্দের পরে যুক্ত প্রত্যয়ের নাম— তদ্ধিত প্রত্যয়।
- তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলে— তদ্ধিতান্ত শব্দ।
- ধাতু বা ক্রিয়ামূলের পরে যুক্ত প্রত্যয়ের নাম— কৃৎপ্রত্যয়।
- কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলে— কৃদন্ত শব্দ।
- ‘দোলনা’ ও ‘কর্তব্য’ হলো— কৃদন্ত শব্দ।
- নিজস্ব কোনো অর্থ নেই— প্রত্যয়ের।
- প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের অর্থ— বদলে যায়।
- ‘সহিষ্ণু’ শব্দের গঠন হলো— সহ + ইষ্ণু।
- ‘ঢাকাই’ শব্দে ব্যবহৃত হয়েছে— ‘জাত’ অর্থে
- ‘চোরা’ শব্দটিতে প্রকাশ পেয়েছে— অবজ্ঞ অর্থে
- ‘নারী’ শব্দের গঠন হলো— নর + ঈ।
- ‘তৈল’ শব্দের গঠন হলো— তিল + অ।
পরিচ্ছেদ ১২: সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠন
- বাক্যে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের এক শব্দে পরিণত হওয়াকে বলে- সমাস ।
- সমাসবদ্ধ শব্দের নাম— সমস্তপদ।
- প্রথম অংশের নাম – পূর্বপদ ।
- শেষ অংশের নাম— পরপদ।
- যেসব শব্দ দিয়ে সমস্তপদ ব্যাখ্যা করা হয় তাকে বলে— ব্যাসবাক্য।
- সমাস মূলত ৪ প্রকার।
- পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েরই প্রাধান্য থাকে— দ্বন্দ্ব সমাসে ।
- পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়- কর্মধারয় সমাসে।
- যাকে তুলনা করা হয় তাকে বলে- উপমেয়।
- উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়- রূপক কর্মধারয় সমাসে।
- তৎপুরুষ সমাসে লোপ পায় – সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ।
- পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ ব্যতিরেকে অন্য কিছু বোঝায়— বহুব্রীহি সমাসে।
- পূর্বপদের বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে অলুক বহুব্রীহি সমাসে।
পরিচ্ছেদ ১৭: শব্দের শ্রেণিবিভাগ
- বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে— উৎস, গঠন ও পদ বিবেচনায় ।
- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে বিভক্ত করা যায় – চার শ্রেণিতে।
- তৎসম শব্দ হলো— সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ।
- আকাশ, বৃক্ষ, সচিবালয় হলো— তৎসম শব্দ।
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে স্বতন্ত্র রূপ লাভ করেছে— তদ্ভব শব্দ ।
- পেট, কুলা, ডাব, ঢেকি ইত্যাদি হলো— দেশি শব্দ ।
- গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দ বিভক্ত – দুটি ভাগে।
- অর্থপূর্ণ কোনো অংশে বিশ্লেষণ করা যায় না মৌলিক শব্দকে।
- সাধিত শব্দ তৈরি হয়— উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে অথবা সমাসের মাধ্যমে।
- শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তার নাম- পদ ।
- পদকে ভাগ করা যায়— আট শ্রেণিতে।
পরিচ্ছেদ ১৮: বিশেষ্য
- কোনো ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়— বিশেষ্য দ্বারা।
- বিশেষ্যের অপর নাম — শব্দ বা নামপদ ।
- বিশেষ্যের উদাহরণ- ইট, সিমেন্ট, সততা, ইমরান ইত্যাদি।
- বিশেষ্য সাধারণত- ছয় প্রকার।
- ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি ইত্যাদির সুনির্দিষ্ট নামকে বলা হয়- নাম বিশেষ্য ।
- পৃথিবী, কক্সবাজার, ঢাকা ইত্যাদি হলো— স্থাননাম ।
- জাতি-বিশেষ্যের অন্য নাম- সাধারণ বিশেষ্য।
- বস্তু-বিশেষ্যের উদাহরণ— ইট, লবণ, আকাশ ইত্যাদি।
- মিছিল, বাহিনী, ঝাঁক ইত্যাদি হলো— সমষ্টি বিশেষ্য।
- গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে বলে- গুণ বিশেষ্য।
- শয়ন, পঠন, ভোজন হলো—ক্রিয়া-বিশেষ্য।
পরিচ্ছেদ ১৯: সর্বনাম
- সকল প্রকার বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে বলা হয়— সর্বনাম।
- বাক্যে সর্বনাম পালন করে – বিশেষ্যের অনুরূপ ভূমিকা ।
- বিশেষ্য শব্দের মতো সর্বনাম শব্দের সঙ্গেও যুক্ত হয়— বিভক্তি, নির্দেশক ও বচন।
- সর্বনামকে ভাগ করা যায়— নয়টি শ্রেণিতে।
- ব্যক্তিনামের পরিবর্তে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় তাকে বলে— ব্যক্তিবাচক সর্বনাম।
- ব্যক্তিবাচক সর্বনাম — তিন ধরনের।
- নিজে, স্বয়ং ইত্যাদি হলো— আত্মবাচক সর্বনাম ।
- নির্দেশক সর্বনাম নির্দেশ করে — নৈকট্য বা দূরত্ব ।
- যারা তারা, যেমন-তেমন হলো— সাপেক্ষ সর্বনাম ।
- পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি হলো— পারস্পরিক সর্বনাম ।
- ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে হয়— সকলবাচক সর্বনাম ।
- অন্য, পর, অপর হলো অন্যবাচক সর্বনাম ।
পরিচ্ছেদ ২০: বিশেষণ
- বিশেষণ প্রয়োজন হয়— শব্দকে অলংকৃত করতে।
- বিশেষণ দিয়ে বোঝায়— বিশেষ্য ও সর্বনামের দোষ, গুণ, সংখ্যা, অবস্থা ইত্যাদি।
- যে বিশেষণ রং নির্দেশ করে তার নাম— বর্ণবাচক বিশেষণ ।
- ‘চৌকস লোক’— এখানে ‘চৌকস’ হলো— গুণবাচক বিশেষণ।
- ‘দশম শ্রেণি’— এখানে ‘দশম’ হলো— ক্রমবাচক বিশেষণ।
- যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায় তাকে বলে— পূরণবাচক বিশেষণ।
- পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়— পরিমাণবাচক বিশেষণ ।
- প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়— প্রশ্নবাচক বিশেষণ দিয়ে ।
- যে বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে তার নাম- ভাববাচক বিশেষণ ।
- বিধেয় বিশেষণ বসে বাক্যের বিধেয় অংশে।
- এই পুকুরের পানি ঘোলা।’ বাক্যটিতে বিধেয় বিশেষণ হলো— ঘোলা
পরিচ্ছেদ ২১: ক্রিয়া
- বাক্যে কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে তা নির্দেশ করা হয়— ক্রিয়াপদের মাধ্যমে।
- ক্রিয়া গঠিত হয়— ধাতুর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ।
- ভাবপ্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া— দুই প্রকার ।
- যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না তার নাম— অসমাপিকা ক্রিয়া।
- “গান করলে তার মন ভালো হয়।”- বাক্যটিতে ‘করলে’ হলো— শর্ত অসমাপিকা ক্রিয়া।
- বাক্যে কর্মের উপস্থিতিতে ক্রিয়া— তিন প্রকার ।
- বাক্যে ক্রিয়ার কর্ম না থাকলে সে ক্রিয়াকে বলে— অকর্মক ক্রিয়া।
- গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া— পাঁচ রকম ।
- কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে বলে— প্রযোজক ক্রিয়া ।
- ‘মরে যাওয়া’ হলো— যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।
পরিচ্ছেদ ২২: ক্রিয়াবিশেষণ
- যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে তাকে বলে— ক্রিয়াবিশেষণ।
- ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ— ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায় ।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে ‘-এ’, ‘-তে’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবিশেষণ তৈরি হয়।
- কোনো ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে- ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
- ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ – ঠিকভাবে বৃষ্টি পড়ছে।
- কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ নির্দেশ করে- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল।
- স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ – মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
- না, নি ইত্যাদি দিয়ে বোঝায় – ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা।
- বাক্যে পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে – কি, যে, বা, না, তো প্রভৃতি।
- গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াবিশেষণ— দুই প্রকার।
- বহুপদী ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ- ভয়ে ভয়ে, চুপি চুপি ইত্যাদি।
পরিচ্ছেদ ২৩: অনুসর্গ
- যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে সেসব শব্দকে বলে – অনুসর্গ।
- অনুসর্গের রূপের- পরিবর্তন হয় না।
- যে শব্দের পর অনুসর্গ বসে সে শব্দে যুক্ত হতে পারে- কে, রে ইত্যাদি বিভক্তি।
- অনুসর্গের কাজ হলো— শব্দকে বাক্যের সাথে সম্পর্কিত করা।
- অনুসর্গ বসে- শব্দের পরে।
- অনুসর্গকে ভাগ করা যায়— দুই ভাগে।
- অনুসর্গের বিভাজনগুলোর নাম- সাধারণ ও ক্রিয়াজাত।
- সাধারণ অনুসর্গ তৈরি হয়— ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে।
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গের উদাহরণ— ভালো করে খেয়ে নাও।
- সাধারণ অনুসর্গের উদাহরণ— মাথার উপরে নীল আকাশ।
- যে অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে তাকে বলে— ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।
পরিচ্ছেদ ২৪: যোজক
- পদ, বর্গ বা বাক্যকে যুক্তকারী শব্দের নাম – যোজক।
- এবং, ও, আর, অথবা, তবু— যোজকের উদাহরণ।
- দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে— সাধারণ যোজক।
- সাধারণ যোজকের উদাহরণ— রহিম ও করিম কাজটি করেছে।
- একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে— বিকল্প যোজক।
- বিকল্প যোজকের উদাহরণ— চা না হয় কফি খান।
- বাক্যের দুটি অংশের মাঝে সংযোগ ও বিরোধ সৃষ্টি করে— বিরোধ যোজক।
- পরস্পর নির্ভরশীল দুটি বাক্যের মাঝে সংযোগ ঘটায় — কারণ যোজক।
- কারণ যোজকের উদাহরণ- বাবার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
- সাপেক্ষ যোজক বাক্যে ব্যবহৃত হয়— একে অন্যের পরিপূরক হয়ে।
- সাপেক্ষ যোজকের উদাহরণ— যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।
পরিচ্ছেদ ২৫: আবেগ
- মনের নানা ভাব, অনুভুতি বা আবেগ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়- আবেগ শব্দ।
- আবেগ শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়- স্বাধীনভাবে।
- অনুমোদন, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশিত হয়— সিদ্ধান্ত আবেগের ব্যবহারে।
- সিদ্ধান্ত আবেগের উদাহরণ- উহু! ওটা ধরবে না।
- প্রশংসা আবেগের উদাহরণ— শাবাশ। চমৎকার রেজাল্ট করেছ।
- বিরক্তি আবেগ ব্যবহৃত হয়— অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি প্রকাশে।
- আতঙ্ক, যন্ত্রণা, কাতরতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়- আতঙ্ক আবেগ
- বিস্ময় আবেগের দৃষ্টান্ত হলো— আরে! তুমি আবার কখন এলে?
- করুণা আবেগে প্রকাশ পায়- করুণা, মায়া, সহানুভূতি ।
- সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়— সম্বোধন আবেগ।
- অলংকার আবেগ প্রয়োগের উদাহরণ— দুর। এ কথা কি বলতে আছে?
পরিচ্ছেদ ৩২: বাক্যের বর্গ
- বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে বলে – বর্গ ।
- বর্গকে বলা হয়- বাক্যের একক।
- বর্গের নাম হয়- যে পদের মতো আচরণ করে তা অনুসারে।
- বিশেষ্যের আগে এক বা একাধিক বিশেষণ বা সম্বন্ধপদ যুক্ত হয়ে তৈরি হয়- বিশেষ্যবর্গ।
- ক্রিয়া প্রায় ক্ষেত্রেই ক্রিয়াবর্গ তৈরি করে— বাক্যের বিধেয় অংশে।
- বিশেষণজাতীয় শব্দের গুচ্ছকে বলা যায় – বিশেষণবর্গ।
- বিশেষণবর্গের উদাহরণ— আমটা দেখতে ভারী সুন্দর।
- যে শব্দগুচ্ছ ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে তাকে বলে- ক্রিয়াবিশেষণ-বর্গ।
- ক্রিয়াবিশেষণ বর্গের উদাহরণ— সকাল আটটার সময়ে সে রওনা হলো।
- ক্রিয়াবর্গের উদাহরণ- অস্ত্রসহ সৈন্যদল এগিয়ে চলেছে।
পরিচ্ছেদ ৩৩: উদ্দেশ্য ও বিধেয়
- বাক্যকে ভাগ করা যায়- উদ্দেশ্য ও বিধেয় এ দুটি অংশে।
- বাক্যে যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয় তাকে বলে— উদ্দেশ্য।
- বাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা হলো— বিধেয়।
- বিধেয় অংশে থাকে সাধারণত — ক্রিয়া।
- উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে যেসব শব্দ ও বর্গ প্রসারিত করে তাদেরকে বলা হয়- প্রসারক।
- বিধেয় ক্রিয়ার বিশেষ্য অংশকে বলা হয়- পূরক।
- ‘সেলিম বারান্দায় বসে বই পড়ছে।’- বাক্যটিতে বিধেয়ের ক্রিয়ার পূরক হলো ‘বই’।
- সাধারণত উদ্দেশ্যের পূর্বে বসে — উদ্দেশ্যের প্রসারক ।
- সাধারণত বিধেয়ের প্রসারক বসে- বিধেয়ের পূর্বে।
- বিধেয়ের স্থান ও কাল সংক্রান্ত প্রসারক বসতে পারে— উদ্দেশ্যের পূর্বে।
পরিচ্ছেদ ৩৪: সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য
- গঠন-বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলা বাক্যকে ভাগ করা যায়- তিন ভাগে।
- যে বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তার নাম – সরল বাক্য ।
- সরল বাক্যে অনেক ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকে- ক্রিয়া।
- যে-সে, যারা তারা, যিনি-তিনি ইত্যাদি হলো— সাপেক্ষ সর্বনাম।
- যত-তত, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি হলো— সাপেক্ষ যোজক।
- পরস্পর অধীন একাধিক বাক্য সাপেক্ষ সর্বনাম বা সাপেক্ষ যোজক দ্বারা যুক্ত থাকে— জটিল বাক্য।
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যোজকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে— যৌগিক বাক্যে। জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে
- রূপান্তরের ক্ষেত্রে বাদ দিতে হয়— সাপেক্ষ সর্বনাম ও সাপেক্ষ যোজককে।
- যৌগিক বাক্য গঠনে প্রয়োজন হয়— একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার।
- যৌগিক থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময় সমাপিকা ক্রিয়াকে রূপান্তর করতে হয়— অসমাপিকা ক্রিয়ায়।
- যৌগিক বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে যৌগিক বাক্যের যোজকের পরিবর্তে বসে— সাপেক্ষ সর্বনাম ও সাপেক্ষ যোজক।
পরিচ্ছেদ ৩৯: বাগর্থ
- ভাষা ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো— মনের ভাব প্রকাশ।
- শব্দ ও শব্দগুচ্ছের অর্থকে- বাগর্থ বলে।
- শব্দের অর্থ— দুই রকমের।
- শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে মনে যে বোধ জাগে, তা-ই শব্দের- বাচ্যার্থ।
- অভিধানে প্রাধান্য দেওয়া হয়- শব্দের বাচ্যার্থকে।
- বাচ্যার্থকে উপেক্ষা করে শব্দের যে আলাদা অর্থ তৈরি হয় তা হলো—লক্ষ্যার্থ।
- লক্ষ্যার্থের আরেক নাম — গৌণার্থ ও বা লাক্ষণিক অর্থ।
- ‘বর্ষ’ শব্দটি প্রসারিত অর্থ হলো— বছর।
- অর্থসংকোচের ফলে একটি শব্দের পূর্ববর্তী অর্থের ব্যাপ্তি — কমে।
- অর্থসংকোচের ফলে এখন ‘মৃগ’ শব্দের হয়েছে— হরিণ।
- ইতিবাচক অর্থের শব্দ নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হওয়াকে বলে অর্থের- অবনতি।
- বাক্যে প্রয়োগভেদে শব্দের অর্থ-বৈচিত্র — মানারকম হতে পারে।
পরিচ্ছেদ ৪০: বাগধারা
- বাক্যের অর্থ যখন বাচ্যার্থকে ছাপিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বলে— বাগধারা।
- ভাষা প্রাণবন্ত হয় এবং বাক্য অধিক ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে পারে বাগ্ধারার প্রয়োগে ।
- আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে না- বাগ্ধারা।
- বাগধারা অতীত কালের যে ঘটনার স্মারক- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনার।
- ‘ইতর বিশেষ’ বাগধারাটির অর্থ- পার্থক্য।
- ‘ঘোড়ার ডিম’ অর্থ— কিছুই না।
- ‘চুনোপুঁটি’ অর্থ— সামান্য ব্যক্তি।
- ‘ঠোট কাটা’ অর্থ- বেহায়া।
- ডুব মারা’ অর্থ- পালিয়ে যাওয়া।
- ‘সপ্তমে চড়া’ অর্থ— প্রচণ্ড উত্তেজনা।
- ‘ধরাকে সরা জ্ঞান’ অর্থ- অহংকার করা।
- ‘হাতেখড়ি’ অর্থ— শিক্ষার শুরু।
পরিচ্ছেদ ৪১: প্রতিশব্দ
- যেসব শব্দের অর্থ অভিন্ন বা প্রায় সমান সেসব শব্দকে বলে – প্রতিশব্দ।
- বাক্যের প্রকাশকে সাবলীল ও বাক্যের অর্থকে সুস্পষ্ট করতে খুঁজে নিতে হয় – যথাযথ প্রতিশব্দ ।
- প্রতিশব্দের ব্যবহার নির্ভর করে— প্রসঙ্গের উপরে ।
- ‘অশ্ব’ শব্দের প্রতিশব্দ— ঘোড়া, ঘোটক, হয়, তুরগ ইত্যাদি।
- ‘আগুন’ শব্দের প্রতিশব্দ— অগ্নি, অনল, হুতাশন ইত্যাদি।
- ‘কন্যা’ শব্দের প্রতিশব্দ – মেয়ে, দুহিতা, আত্মজা ইত্যাদি।
- ‘চোখ’ শব্দের প্রতিশব্দ — চক্ষু, নয়ন, অক্ষি ইত্যাদি।
- ‘নদী’ শব্দের প্রতিশব্দ- নদ, গাঙ, তটিনী ইত্যাদি।
- ‘রাজা’ শব্দের প্রতিশব্দ নৃপতি, ভূপতি, বাদশাহ ইত্যাদি।
- ‘সূর্য’ শব্দের প্রতিশব্দ— রাবি, তপন, সবিতা ইত্যাদি ।
পরিচ্ছেদ ৪২: বিপরীত শব্দ
- যেসব শব্দ পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে তাদের বলে — বিপরীত শব্দ।
- বিপরীত শব্দ হলো একে অন্যের পরিপূরক।
- শব্দের পূর্বে অ, অন, অনা, অপ, অব দূর, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গ যুক্ত করে তৈরি করা যায়— বিপরীত শব্দ ।
- ‘অনুরক্ত’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— বিরক্ত।
- ‘ইস্তফা’ শব্দের বিপরীত শব্দ— যোগদান ।
- ‘ধৃষ্ট’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— নম্র।
- ‘সাকার’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— নিরাকার।
- ‘স্মৃতি’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— বিস্মৃতি।
- ‘সাচ্চা’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— ভুয়া।
- ‘হ্রাস’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— বৃদ্ধি।
পরিচ্ছেদ ৪৩ | শব্দজোড়
- উচ্চারণে অভিন্ন বা প্রায় কিন্তু অর্থে ভিন্ন এমন শব্দযুগলকে বলে— শব্দজোড়।
- শব্দজোড় বাক্যে ব্যবহৃত হলে পার্থক্য বোঝা যায় – প্রসঙ্গ বিবেচনায় ।
- ‘অপত্য’ অর্থ সন্তান এবং ‘অপথ্য’ অর্থ হলো— যা পথ্য নয় ।
- ‘কমল’ অর্থ পদ্ম এবং ‘কোমল’ অর্থ— নরম ।
- ‘অকূল’ শব্দের অর্থ— তীরহীন।
- ‘অন্ন’ অর্থ ভাত এবং ‘অন্য’ অর্থ— অপর।
- ‘আপণ’ অর্থ দোকান এবং ‘আপন’ অর্থ- নিজ ।
- ‘দারা’ অর্থ স্ত্রী এবং ‘দ্বার’ অর্থ— দরজা।
- ‘বিচি’ অর্থ বীজ এবং ‘বীচি’ অর্থ— ঢেউ।
- ‘শরণ’ অর্থ আশ্রয় আর ‘স্মরণ’ মানে— স্মৃতি।
আপনার মন্তব্য করুন
Visited ৪০ times, ১ visit(s) today