সাম্প্রতিক পোস্ট
🔵১৯৭১ (উপন্যাস) প্রশ্ন ও উত্তর🔵এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকণিকা: পরীক্ষা ২০২৬🔵English Second Paper Special Model Test for SSC 2026🔵প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা-২০২৬🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৬🔵২০২৬ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵Tag questions for SSC 26/27🔵Changing Sentence for SSC 26/27🔵Substitution Table🔵সুভা গল্পের এমসিকিউ🔵Dialogue Writing🔵বাংলাদেশের স্বাধীনতা: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়🔵Solitude🔵Stopping by Woods on a Snowy Evening🔵Time, You Old Gipsy Man🔵The Sands of Dee🔵Two Mothers Remembered🔵Books🔵O Me! O Life!🔵Most Important Appropriate Preposition for SSC Examination🔵বাংলাদেশ ও বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা🔵Exercise on Suffixes and Prefixes with Answer for SSC 2026-2027🔵রচনা: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প🔵English First Paper Model Test for SSC 2026-2027🔵Noun তৈরির কৌশল🔵বাংলাদেশের কৃষি: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন🔵🔵HSC English First Paper Seen Comprehension (Short Questions)🔵Preposition Exercises for HSC Exam🔵তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত🔵শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব: সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵বাংলায় অনুবাদ- নবম,দশম ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য🔵Preposition for SSC 2026🔵Use of suffix and prefix for SSC 2026🔵Tag Questions For SSC 2026🔵Right form of verbs for SSC 2026🔵নিমগাছ-সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵মানুষ মুহম্মদ (স.)- সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵সকালে ঘুম থেকে উঠার উপকারিতা🔵পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উপকারিতা: আধ্যাত্মিক থেকে শারীরিক সুবিধা🔵With Clues for SSC 2026🔵আম-আঁটির ভেঁপু🔵বই পড়া- সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵সুভা।।বাংলা ১ম পত্র।। সৃজনশীল।। নবম-দশম শ্রেণি🔵Dialogue for SSC Exam🔵চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষার প্রস্তুতি।। প্রাথমিক বিজ্ঞান।। স্বাস্থ্যবিধি🔵জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ -প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জন-২০২৫)🔵৫ম শ্রেণির পড়াশোনা।। ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা।। আখলাক বা চরিত্র ও নৈতিক মূল্যবোধ🔵Dialogue & Story🔵Paragraph On Tree Plantation🔵Paragraph On Our School Library🔵Paragraph On The Life of a Farmer🔵সমাজে পরস্পরের সহযোগিতা।। প্রশ্ন ও উত্তর।। চতুর্থ শ্রেণি।। বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়🔵আমাদের পরিবেশ ও সমাজ।। বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর।। বাওবি।। চতুর্থ শ্রেণি🔵আমাদের পরিবেশ ও সমাজ।। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর।। বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।। চতুর্থ শ্রেণি🔵English Model Question।। Class-4।। First Terminal Assessment🔵প্রাথমিক বিজ্ঞান।। চতুর্থ শ্রেণি।। ১ম প্রান্তিক মূল্যায়ন।। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর🔵এসএসসি জীববিজ্ঞান ফাইনাল সাজেশন🔵এসএসসি রসায়ন ফাইনাল সাজেশন🔵এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান ফাইনাল সাজেশন🔵এসএসসি আইসিটি (ICT) ফাইনাল সাজেশন🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন🔵এসএসসি গণিত ফাইনাল সাজেশন🔵English Second Paper Final Suggestion for SSC Exam 2025🔵SSC 2025 English First Paper Final Suggestion🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: জীবনের জন্য পানি🔵With Clues for SSC Exam🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর: বায়ু🔵অধ্যায়ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: আমাদের পরিবেশ🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: পরিবেশ দূষণ🔵৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের নমুনা প্রশ্ন🔵পরিবেশ দূষণ🔵আমাদের পরিবেশ🔵সংকল্প ৫ম শ্রেণির বাংলা🔵এই দেশ এই মানুষ🔵Phrases PPT🔵এসএসসি ২০২৫ ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সাজেশন🔵Classification of Tenses in English with Structure & Examples🔵Article Exercise🔵300 Most Important Appropriate Preposition🔵Parts of Speech🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (প্রাক- প্রাথমিক)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (৫ম শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (৪র্থ শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (৩য় শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (২য় শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (১ম শ্রেণি)🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৯ম-১০ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৭ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৫ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৪র্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৩য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ২য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও নম্বর বণ্টন🔵Parts of Speech🔵4 Letter Words for Primary Student🔵3 Letter Words for Primary Student🔵বাস্তব সংখ্যা: সৃজনশীল প্রশ্ন (এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি)🔵প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৪🔵বাংলা। তৃতীয় শ্রেণি। নমুনা প্রশ্ন। ২০২৪ সালের সর্বশেষ মূল্যায়ন নির্দেশিকা অনুসারে🔵ডিজিটাল প্রযুক্তি। অষ্টম শ্রেণি।🔵চারপাশের লেখার সাথে পরিচিত হই। দৃশ্যপটবিহীন ও দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন। বাংলা। ৭ম শ্রেনি।🔵বুঝে পড়ি লিখতে শিখি। দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন ও উত্তর। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵বুঝে পড়ি লিখতে শিখি। রচনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি। দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি। রচনামূলক প্রশ্ন। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵বুঝে পড়ি লিখতে শিখি। বাংলা । ৭ম শ্রেণি🔵চারপাশের লেখার সাথে পরিচিত হই। বাংলা। ৭ম শ্রেণি🔵অর্থ বুঝে বাক্য লিখি। বাংলা । ৭ম শ্রেণি🔵প্রমিত ভাষায় কথা বলি। বাংলা। ৭ম শ্রেণি🔵প্রমিত ভাষা শিখি। বাংলা। ষষ্ঠ শ্রেণি🔵ঐকিক নিয়ম, শতকরা এবং অনুপাত। গণিত। ষষ্ঠ শ্রেণি🔵নানা রকম আকৃতি মাপি। গণিত। সপ্তম শ্রেণি🔵ঘনবস্তুতে দ্বিপদী ও ত্রিপদী রাশি খুঁজি । গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵প্রয়োজন বুঝে যোগাযোগ করি । বাংলা। অষ্টম শ্রেণি🔵বৃত্তের খুঁটিনাটি (দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন)। গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵বৃত্তের খুঁটিনাটি । গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন ও উত্তর)। গনিত। অষ্টম শ্রেণি🔵বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি । গণিত। অষ্টম শ্রেণি🔵তথ্য বুঝে সিদ্ধান্ত নিই। গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵বিস্তার পরিমাপ। গণিত। নবম শ্রেণি🔵কৌণিক দূরত্ব পরিমাপে ত্রিকোণমিতি। গণিত । নবম শ্রেণি🔵বাস্তব সমস্যা সমাধানে সহসমীকরণ। নবম শ্রেণি। গণিত🔵পরিমাপে ত্রিকোণমিতি। গণিত। নবম শ্রেণি🔵চলো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হই। অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি🔵Transformation of Sentences Rules, Examples & Exercise🔵অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি। সমস্যার সমাধান চাই প্রোগ্রামিংয়ের জুড়ি নাই🔵অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি। নাগরিক সেবা ও ই-কর্মাসের সুযোগ গ্রহণ করি🔵অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি🔵লগারিদমের ধারণা ও প্রয়োগ। বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি🔵অনুক্রম ও ধারা। বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৪🔵গনিত মডেল প্রশ্ন ২: বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি (অষ্টম শ্রেণি)🔵গনিত মডেল প্রশ্ন ১: বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি (অষ্টম শ্রেণি)🔵ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি: এক কথায় উত্তর🔵Adjective and Its Classification🔵ঘনবস্তুতে দ্বিপদী ও ত্রিপদী রাশি খুঁজি🔵আমাদের জীবনে প্রযুক্তি🔵গড়🔵শতকরা🔵৮ম শ্রেণির গণিত বিষয়ের দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-৪🔵English Grammar & Literature Quiz-1🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-৩🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-২🔵সরকারি কর্মচারীর সম্পদ বিবরণী ফরম🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-১🔵পরিসংখ্যান🔵দূরত্ব ও উচ্চতা🔵সসীম ধারা🔵বীজগাণিতিক রাশি🔵তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ🔵অনুবাদ🔵সেট ও ফাংশন🔵Tag Questions for SSC Students🔵Exercise on Punctuation Marks for HSC Students🔵Exercise on Sentence Connectors for HSC Students🔵Exercise on Modifiers for HSC Students🔵Exercise on Right Form of Verbs for HSC Students🔵English Sample Question for Class Six🔵English Sample Question for Class 7🔵English Sample Question for Class Nine🔵English Sample Question for Class Eight🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵কোণের ধারণা🔵Narrative Style (Direct to Indirect and Vice Versa)🔵SSC English First Paper Model Test-10🔵SSC English First Paper Model Test-9🔵SSC English First Paper Model Test-8🔵SSC English Second Paper Model Test 16🔵Preposition Exercise🔵SSC English First Paper Model Test- 7🔵English Model Question-2 for Class Five🔵বাংলাদেশ বিষয়াবলি কুইজ🔵বাগধারা ও বাগবিধি কুইজ🔵English Literature Quiz🔵কারক🔵বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাস🔵এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵SSC English First Paper Model Test- 6🔵SSC English Second Paper Model Test 15🔵SSC English First Paper Model Test- 5🔵SSC English Second Paper Model Test 14🔵SSC English First Paper Model Test-4🔵English Model Question-1 for Class Five🔵SSC English First Paper Model Test-3🔵SSC English Second Paper Model Test 13🔵SSC English Second Paper Model Test 12🔵SSC English First Paper Model Test-2🔵SSC English First Paper Model Test-1🔵SSC English Second Paper Model Test 11🔵বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প🔵SSC English Second Paper Model Test 10🔵All in One Paragraph🔵ভারতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর🔵প্রাক ইসলামি আরব: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন🔵জিপিএফ ফরমসমূহ🔵SSC English Second Paper Model Test 9🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণির শিক্ষক সহায়িকা🔵SSC English Second Paper Model Test 8🔵SSC English Second Paper Model Test 7🔵SSC English Second Paper Model Test 6🔵SSC English Second Paper Model Test 5🔵SSC English Second Paper Model Test 4🔵SSC English Second Paper Model Test 3🔵SSC English Second Paper Model Test 2🔵SSC English 2nd Paper Model Test 01🔵SSC English Second Paper Exam Preparation🔵জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন🔵এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র সাজেশন🔵এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵হামলা-ভাঙচুর না চালানোর আহ্বান সেনাপ্রধানের🔵শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির ভাষণ🔵Appendix🔵বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়🔵বাংলা ভাষা🔵এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এমসিকিউ সমাধান🔵HSC English Second Paper Solution Dhaka Board🔵HSC English Second Paper Solution Cumilla Board🔵এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র MCQ সমাধান🔵এইচএসসি সমাজকর্ম ২য় পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵এইচএসসি সমাজকর্ম ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵HSC English First Paper Final Suggestion🔵HSC Englsih Second Paper Final Suggestion🔵এইচএসসি আইসিটি ফাইনাল সাজেশন🔵এইচএসসি অর্থনীতি ২য় পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵মানুষের মস্তিষ্ক🔵এইচএসসি অর্থনীতি ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵Paragraph: Lockdown🔵Without Clues for SSC Exam🔵এইচএসসি ইসলামের ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵এইচএসসি ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র ফাইনাল সাজেশন
শিখবে সবাই

এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকণিকা: পরীক্ষা ২০২৬

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকণিকা

বাংলা ২য় পত্র

পরীক্ষা ২০২৬

পরিচ্ছেদ ৫: ধ্বনি ও বর্ণ

  • ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো— ধ্বনি।
  • ধ্বনি নির্দেশক প্রতীককে বলা হয়— বর্ণ।
  • বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনি রয়েছে— ৩৭টি।
  • বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি— ৩০টি।
  • মৌলিক স্বরধ্বনি— ৭টি।
  • স্বরবর্ণের মোট সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে— ১০টি।
  • স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয়— কারবর্ণ
  • ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম— অনুবর্ণ (ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ)।
  • বাংলা যুক্তবর্ণ দুই রকম— স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।
  • ক্ট, জ্জ, ঞ্ঝ ও দ্ম হলো— স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
  • জ্জ, দ্দ, ল্ক, স্ট হলো— অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।
  • বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য সংখ্যাবর্ণ রয়েছে— ১০টি। যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ০।

পরিচ্ছেদ ৬: স্বরধ্বনি

  • উচ্চারণের সময় জিভের উপরে ওঠা ও নিচে নামার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি— চার ভাগে বিভক্ত।
  • উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিভ— উপরে ওঠে।
  • নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি হলো— অ্যা।
  • জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অনুযায়ী স্বরধ্বনি— তিন ভাগে বিভক্ত।
  • স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয় তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি— চার ভাগে বিভক্ত।
  • সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়— ঠোঁট কম খোলে।
  • বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়— ঠোঁট বেশি খোলে।
  • স্বরধ্বনির অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে ব্যবহৃত হয়ে থাকে — চন্দ্রবিন্দু (ঁ)।
  • বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি— চারটি। যথা: ই, উ, এ (য়) এবং ও।
  • কোমল তালু খানিকটা নিচে নামিয়ে কিছুটা বায়ু নাক দিয়ে বের করে উচ্চারণ করা হয়— অনুনাসিক স্বরধ্বনি।
  • যে স্বরধ্বনি আধাআধি উচ্চারিত হয় তাকে বলে— অর্ধস্বরধ্বনি।
  • একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি ও একটি অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে তাকে বলে— দ্বিস্বরধ্বনি।
  • দ্বিস্বরধ্বনির অপর নাম— সন্ধিস্বর।
  • বাংলা বর্ণমালায় একটি পূর্ণস্বরধ্বনি ও একটি অর্ধস্বরধ্বনি রয়েছে— ‘ঐ’ এবং ‘ঔ’-এর মধ্যে।

    পরিচ্ছেদ ৭: ব্যঞ্জনধ্বনি

  • বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা— ৩০টি।
  • উচ্চারণ স্থান ও প্রকৃতি এবং ধ্বনির কম্পন ও বায়ুপ্রবাহ বিবেচনায় ব্যঞ্জনধ্বনি— চার ধরনের।
  • উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনি— সাত প্রকার।
  • ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনের অপর নাম— দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
  • দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ— ত, থ, দ, ধ।
  • চ, ছ, জ, ঝ, শ ধ্বনিগুলো— তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি।
  • কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনের মুখ্য বাকপ্রত্যঙ্গ হলো— জিভের পিছনের অংশ।
  • দুটি বাকপ্রত্যঙ্গ পরস্পর সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে উৎপন্ন ধ্বনি—  ব্যঞ্জন।
  • কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ হলো— র।
  • ফুসফুস থেকে বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে এসে উৎপন্ন ধ্বনি হলো— পার্শ্বিক ধ্বনি।
  • পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি হলো— ল।
  • বায়ুপ্রবাহের বেগ কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনি— দুই ভাগে বিভক্ত।
  • যেসব ধ্বনি উচ্চারণকালে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম হয় সেগুলো— অঘোষ ধ্বনি।
  • বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি এবং ‘হ’ হলো— মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন।

পরিচ্ছেদ ৮: বর্ণের উচ্চারণ

  •  শব্দের বানান ও উচ্চারণের মধ্যে রয়েছে— ভিন্নতা।
  • বাংলা ভাষায় ৩৭টি মূল ধ্বনি উচ্চারণের জন্য বর্ণ রয়েছে— ৫০টি।
  • ‘অ’ ধ্বনির উচ্চারণ দুই রকম— সাধারণ ‘অ’-এর মতো এবং ‘ও’-এর মতো।
  • আদ্য ‘অ’-এর পরে দন্ত্য-ন আছে এমন একক্ষার শব্দের অ উচ্চারিত হয়— ও-রূপে।
  • ‘আ’ বর্ণ দুভাবে উচ্চারিত হয়— স্বাভাবিক (আকাশ), ‘অ্যা’-এর মতো (জ্ঞান/গ্যাঁন)।
  • বাংলা ভাষায় ‘ই’-এর উচ্চারণ— একরকম [ বিনা (বিনা), বীণা (বিনা)]।
  • ধ্বনির হ্রস্বতা ও দীর্ঘতা বোঝানোর জন্য বর্ণ রয়েছে— দুটি।
  •  ‘ঋ’ বর্ণের উচ্চারণ— রি-এর মতো [ঋতু (রিতু)।]।
  •  ‘ঞ’ বর্ণের নিজস্ব কোনো ধ্বনি নেই; এর উচ্চারণ— অঁ (মিঞা), ন [চঞ্চল (চনচল)]।
  •  ফলা হিসেবে ‘ব’-এর উচ্চারণে— স্বাতন্ত্র্য রয়েছে।
  •  শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে— ম-ফলা যুক্ত বর্ণটি দ্বিত্ব ও সামান্য অনুনাসিক হয়।
  •  শব্দের মাঝে বা শেষে য-ফলা থাকলে— য-ফলা যুক্ত বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব হয়, কিন্তু ‘্য’-এর উচ্চারণ হয় না।
  •  ‘শ’ এর দুই রকম উচ্চারণ দেখা যায়— শত (শতো), শ্রমিক (স্রোমিক)।
  •  আদ্য ব-ফলা— অনুচ্চারিত থাকে।

পরিচ্ছেদ ৯: শব্দ ও পদের গঠন

  • এক বা একাধিক ধ্বনির সমন্বয়ে গঠিত শব্দের মূল অংশকে বলে— শব্দমূল।
  • শব্দমূলের আরেক নাম— প্রকৃতি।
  • প্রকৃতি সাধারণত— দুই ধরনের।
  • ক্রিয়াপ্রকৃতির অন্য নাম— ধাতু।
  • নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়ে তৈরি হয়— নতুন শব্দ।
  • নতুন শব্দ গঠনে নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সাথে যুক্ত হয়— উপসর্গ ও প্রত্যয়।
  • উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে বলা হয়— সাধিত শব্দ।
  • উপসর্গ বসে— শব্দমূলের পূর্বে।
  • প্রত্যয় বসে— শব্দমূলের পরে।
  • শব্দমূল ও শব্দের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে তাকে বলে— লগ্নক।
  • লগ্নক— চার প্রকারের।
  • বিভক্তির প্রকারভেদ হলো— ক্রিয়াবিভক্তি ও কারক-বিভক্তি।
  • পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাক্যকে জোরালো করে— বলক।
  • শব্দ শুধুমাত্র— রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
  • পদ আলোচিত হয়— রূপতত্ত্ব ও বাক্যতত্ত্ব উভয়টিতে।

পরিচ্ছেদ ১০ : উপসর্গ দিয়ে শব্দ গঠন

  • উপসর্গ নিজের— অর্থ নেই।
  • উপসর্গ কোনো শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে— তার অর্থ বদলে দেয়।
  • নতুন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে উপসর্গ বসে— শব্দের শুরুতে।
  • উপসর্গের নিজস্ব অর্থ না থাকলেও আছে— অর্থদ্যোতনার ক্ষমতা।
  • খাঁটি বাংলা উপসর্গ— ২১টি।
  • তৎসম উপসর্গ— ২০টি।
  • উপসর্গের কাজ— নতুন শব্দ তৈরি ও শব্দের অর্থ পরিবর্তন।
  • অর্থের সম্প্রসারণের উদাহরণ— সম্ + পূর্ণ = সম্পূর্ণ।
  • অভাব অর্থে অনা-উপসর্গের প্রয়োগের দৃষ্টান্ত- অনাবৃষ্টি
  • ‘অপকর্ম’ শব্দে অপ- উপসর্গ যুক্ত হয়েছে— ‘নিকৃষ্ট’ বোঝাতে।
  • ‘পাতিহাঁস’ শব্দে পাতি- উপসর্গ যুক্ত হয়েছে— ছোটো বোঝাতে।
  • ‘অভিযান’ শব্দে অভি- উপসর্গ যুক্ত হয়েছে— গমন বোঝাতে।

পরিচ্ছেদ ১১ : প্রত্যয় দিয়ে শব্দ গঠন

  • শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত অর্থহীন শব্দাংশকে বলে— প্রত্যয়।
  • শব্দের পরে যুক্ত প্রত্যয়ের নাম— তদ্ধিত প্রত্যয়।
  • তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলে— তদ্ধিতান্ত শব্দ।
  • ধাতু বা ক্রিয়ামূলের পরে যুক্ত প্রত্যয়ের নাম— কৃৎপ্রত্যয়।
  • কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দকে বলে— কৃদন্ত শব্দ।
  • ‘দোলনা’ ও ‘কর্তব্য’ হলো— কৃদন্ত শব্দ।
  • নিজস্ব কোনো অর্থ নেই— প্রত্যয়ের।
  • প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের অর্থ— বদলে যায়।
  • ‘সহিষ্ণু’ শব্দের গঠন হলো— সহ + ইষ্ণু।
  • ‘ঢাকাই’ শব্দে ব্যবহৃত হয়েছে— ‘জাত’ অর্থে
  • ‘চোরা’ শব্দটিতে প্রকাশ পেয়েছে— অবজ্ঞ অর্থে
  • ‘নারী’ শব্দের গঠন হলো— নর + ঈ।
  • ‘তৈল’ শব্দের গঠন হলো— তিল + অ।

পরিচ্ছেদ ১২: সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দ গঠন

  • বাক্যে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের এক শব্দে পরিণত হওয়াকে বলে- সমাস ।
  • সমাসবদ্ধ শব্দের নাম— সমস্তপদ।
  • প্রথম অংশের নাম – পূর্বপদ ।
  • শেষ অংশের নাম— পরপদ।
  • যেসব শব্দ দিয়ে সমস্তপদ ব্যাখ্যা করা হয় তাকে বলে— ব্যাসবাক্য।
  • সমাস মূলত ৪ প্রকার।
  • পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েরই প্রাধান্য থাকে— দ্বন্দ্ব সমাসে ।
  • পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়- কর্মধারয় সমাসে।
  • যাকে তুলনা করা হয় তাকে বলে- উপমেয়।
  • উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়- রূপক কর্মধারয় সমাসে।
  • তৎপুরুষ সমাসে লোপ পায় – সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ।
  • পূর্বপদ ও পরপদের অর্থ ব্যতিরেকে অন্য কিছু বোঝায়— বহুব্রীহি সমাসে।
  • পূর্বপদের বিভক্তি অক্ষুণ্ণ থাকে অলুক বহুব্রীহি সমাসে।

পরিচ্ছেদ ১৭: শব্দের শ্রেণিবিভাগ

  • বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারকে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে— উৎস, গঠন ও পদ বিবেচনায় ।
  • উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে বিভক্ত করা যায় – চার শ্রেণিতে।
  • তৎসম শব্দ হলো— সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ।
  • আকাশ, বৃক্ষ, সচিবালয় হলো— তৎসম শব্দ।
  • প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে স্বতন্ত্র রূপ লাভ করেছে— তদ্ভব শব্দ ।
  • পেট, কুলা, ডাব, ঢেকি ইত্যাদি হলো— দেশি শব্দ ।
  • গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দ বিভক্ত – দুটি ভাগে।
  • অর্থপূর্ণ কোনো অংশে বিশ্লেষণ করা যায় না মৌলিক শব্দকে।
  • সাধিত শব্দ তৈরি হয়— উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগে অথবা সমাসের মাধ্যমে।
  • শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তার নাম- পদ ।
  • পদকে ভাগ করা যায়— আট শ্রেণিতে।

পরিচ্ছেদ ১৮: বিশেষ্য

  • কোনো ব্যক্তি, প্রাণী, স্থান, বস্তু, ধারণা ও গুণের নাম বোঝায়— বিশেষ্য দ্বারা।
  • বিশেষ্যের অপর নাম — শব্দ বা নামপদ ।
  • বিশেষ্যের উদাহরণ- ইট, সিমেন্ট, সততা, ইমরান ইত্যাদি।
  • বিশেষ্য সাধারণত- ছয় প্রকার।
  • ব্যক্তি, স্থান, দেশ, কাল, সৃষ্টি ইত্যাদির সুনির্দিষ্ট নামকে বলা হয়- নাম বিশেষ্য ।
  • পৃথিবী, কক্সবাজার, ঢাকা ইত্যাদি হলো— স্থাননাম ।
  • জাতি-বিশেষ্যের অন্য নাম- সাধারণ বিশেষ্য।
  • বস্তু-বিশেষ্যের উদাহরণ— ইট, লবণ, আকাশ ইত্যাদি।
  • মিছিল, বাহিনী, ঝাঁক ইত্যাদি হলো— সমষ্টি বিশেষ্য।
  • গুণগত অবস্থা ও ধারণার নামকে বলে- গুণ বিশেষ্য।
  • শয়ন, পঠন, ভোজন হলো—ক্রিয়া-বিশেষ্য।

পরিচ্ছেদ ১৯: সর্বনাম

  • সকল প্রকার বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দকে বলা হয়— সর্বনাম।
  • বাক্যে সর্বনাম পালন করে – বিশেষ্যের অনুরূপ ভূমিকা ।
  • বিশেষ্য শব্দের মতো সর্বনাম শব্দের সঙ্গেও যুক্ত হয়— বিভক্তি, নির্দেশক ও বচন।
  • সর্বনামকে ভাগ করা যায়— নয়টি শ্রেণিতে।
  • ব্যক্তিনামের পরিবর্তে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয় তাকে বলে— ব্যক্তিবাচক সর্বনাম।
  • ব্যক্তিবাচক সর্বনাম — তিন ধরনের।
  • নিজে, স্বয়ং ইত্যাদি হলো— আত্মবাচক সর্বনাম ।
  • নির্দেশক সর্বনাম নির্দেশ করে — নৈকট্য বা দূরত্ব ।
  • যারা তারা, যেমন-তেমন হলো— সাপেক্ষ সর্বনাম ।
  • পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি হলো— পারস্পরিক সর্বনাম ।
  • ব্যক্তি, বস্তু বা ভাবের সমষ্টি বোঝাতে হয়— সকলবাচক সর্বনাম ।
  • অন্য, পর, অপর হলো অন্যবাচক সর্বনাম ।

পরিচ্ছেদ ২০: বিশেষণ

  • বিশেষণ প্রয়োজন হয়— শব্দকে অলংকৃত করতে।
  • বিশেষণ দিয়ে বোঝায়— বিশেষ্য ও সর্বনামের দোষ, গুণ, সংখ্যা, অবস্থা ইত্যাদি।
  • যে বিশেষণ রং নির্দেশ করে তার নাম— বর্ণবাচক বিশেষণ ।
  • ‘চৌকস লোক’— এখানে ‘চৌকস’ হলো— গুণবাচক বিশেষণ।
  • ‘দশম শ্রেণি’— এখানে ‘দশম’ হলো— ক্রমবাচক বিশেষণ।
  • যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায় তাকে বলে— পূরণবাচক বিশেষণ।
  • পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়— পরিমাণবাচক বিশেষণ ।
  • প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়— প্রশ্নবাচক বিশেষণ দিয়ে ।
  • যে বিশেষণ বাক্যের অন্তর্গত অন্য বিশেষণকে বিশেষিত করে তার নাম- ভাববাচক বিশেষণ ।
  • বিধেয় বিশেষণ বসে বাক্যের বিধেয় অংশে।
  • এই পুকুরের পানি ঘোলা।’ বাক্যটিতে বিধেয় বিশেষণ হলো— ঘোলা

পরিচ্ছেদ ২১: ক্রিয়া

  • বাক্যে কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে তা নির্দেশ করা হয়— ক্রিয়াপদের মাধ্যমে।
  • ক্রিয়া গঠিত হয়— ধাতুর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ।
  • ভাবপ্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া— দুই প্রকার ।
  • যে ক্রিয়া ভাব সম্পূর্ণ করতে পারে না তার নাম— অসমাপিকা ক্রিয়া।
  • “গান করলে তার মন ভালো হয়।”- বাক্যটিতে ‘করলে’ হলো— শর্ত অসমাপিকা ক্রিয়া।
  • বাক্যে কর্মের উপস্থিতিতে ক্রিয়া— তিন প্রকার ।
  • বাক্যে ক্রিয়ার কর্ম না থাকলে সে ক্রিয়াকে বলে— অকর্মক ক্রিয়া।
  • গঠন বিবেচনায় ক্রিয়া— পাঁচ রকম ।
  • কর্তা অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তাকে বলে— প্রযোজক ক্রিয়া ।
  • ‘মরে যাওয়া’ হলো— যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ।

পরিচ্ছেদ ২২: ক্রিয়াবিশেষণ

  • যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে তাকে বলে— ক্রিয়াবিশেষণ।
  • ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ— ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায় ।
  • বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে ‘-এ’, ‘-তে’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবিশেষণ তৈরি হয়।
  • কোনো ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা নির্দেশ করে- ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
  • ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ – ঠিকভাবে বৃষ্টি পড়ছে।
  • কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ নির্দেশ করে- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল।
  • স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ – মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
  • না, নি ইত্যাদি দিয়ে বোঝায় – ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা।
  • বাক্যে পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে – কি, যে, বা, না, তো প্রভৃতি।
  • গঠন বিবেচনায় ক্রিয়াবিশেষণ— দুই প্রকার।
  • বহুপদী ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ- ভয়ে ভয়ে, চুপি চুপি ইত্যাদি।

পরিচ্ছেদ ২৩: অনুসর্গ

  • যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে সেসব শব্দকে বলে – অনুসর্গ।
  • অনুসর্গের রূপের- পরিবর্তন হয় না।
  • যে শব্দের পর অনুসর্গ বসে সে শব্দে যুক্ত হতে পারে- কে, রে ইত্যাদি বিভক্তি।
  • অনুসর্গের কাজ হলো— শব্দকে বাক্যের সাথে সম্পর্কিত করা।
  • অনুসর্গ বসে- শব্দের পরে।
  • অনুসর্গকে ভাগ করা যায়— দুই ভাগে।
  • অনুসর্গের বিভাজনগুলোর নাম- সাধারণ ও ক্রিয়াজাত।
  • সাধারণ অনুসর্গ তৈরি হয়— ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে।
  • ক্রিয়াজাত অনুসর্গের উদাহরণ— ভালো করে খেয়ে নাও।
  • সাধারণ অনুসর্গের উদাহরণ— মাথার উপরে নীল আকাশ।
  • যে অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে তাকে বলে— ক্রিয়াজাত অনুসর্গ।

পরিচ্ছেদ ২৪: যোজক

  • পদ, বর্গ বা বাক্যকে যুক্তকারী শব্দের নাম – যোজক।
  • এবং, ও, আর, অথবা, তবু— যোজকের উদাহরণ।
  • দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করে— সাধারণ যোজক।
  • সাধারণ যোজকের উদাহরণ— রহিম করিম কাজটি করেছে।
  • একাধিক শব্দ বা বাক্যের মধ্যে বিকল্প নির্দেশ করে— বিকল্প যোজক।
  • বিকল্প যোজকের উদাহরণ— চা না হয় কফি খান।
  • বাক্যের দুটি অংশের মাঝে সংযোগ ও বিরোধ সৃষ্টি করে— বিরোধ যোজক।
  • পরস্পর নির্ভরশীল দুটি বাক্যের মাঝে সংযোগ ঘটায় — কারণ যোজক।
  • কারণ যোজকের উদাহরণ- বাবার সময় নেই, তাই যেতে হচ্ছে।
  • সাপেক্ষ যোজক বাক্যে ব্যবহৃত হয়— একে অন্যের পরিপূরক হয়ে।
  • সাপেক্ষ যোজকের উদাহরণ— যত পড়ছি, ততই নতুন করে জানছি।

পরিচ্ছেদ ২৫: আবেগ

  • মনের নানা ভাব, অনুভুতি বা আবেগ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়- আবেগ শব্দ।
  • আবেগ শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়- স্বাধীনভাবে।
  • অনুমোদন, সমর্থন ইত্যাদি ভাব প্রকাশিত হয়— সিদ্ধান্ত আবেগের ব্যবহারে।
  • সিদ্ধান্ত আবেগের উদাহরণ- উহু! ওটা ধরবে না।
  • প্রশংসা আবেগের উদাহরণ— শাবাশ। চমৎকার রেজাল্ট করেছ।
  • বিরক্তি আবেগ ব্যবহৃত হয়— অবজ্ঞা, ঘৃণা, বিরক্তি ইত্যাদি প্রকাশে।
  • আতঙ্ক, যন্ত্রণা, কাতরতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়- আতঙ্ক আবেগ
  • বিস্ময় আবেগের দৃষ্টান্ত হলো— আরে! তুমি আবার কখন এলে?
  • করুণা আবেগে প্রকাশ পায়- করুণা, মায়া, সহানুভূতি ।
  • সম্বোধন বা আহ্বান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়— সম্বোধন আবেগ।
  • অলংকার আবেগ প্রয়োগের উদাহরণ— দুর। এ কথা কি বলতে আছে?

পরিচ্ছেদ ৩২: বাক্যের বর্গ

  • বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে বলে – বর্গ ।
  • বর্গকে বলা হয়- বাক্যের একক।
  • বর্গের নাম হয়- যে পদের মতো আচরণ করে তা অনুসারে।
  • বিশেষ্যের আগে এক বা একাধিক বিশেষণ বা সম্বন্ধপদ যুক্ত হয়ে তৈরি হয়- বিশেষ্যবর্গ।
  • ক্রিয়া প্রায় ক্ষেত্রেই ক্রিয়াবর্গ তৈরি করে— বাক্যের বিধেয় অংশে।
  • বিশেষণজাতীয় শব্দের গুচ্ছকে বলা যায় – বিশেষণবর্গ।
  • বিশেষণবর্গের উদাহরণ— আমটা দেখতে ভারী সুন্দর।
  • যে শব্দগুচ্ছ ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে তাকে বলে- ক্রিয়াবিশেষণ-বর্গ।
  • ক্রিয়াবিশেষণ বর্গের উদাহরণ— সকাল আটটার সময়ে সে রওনা হলো।
  • ক্রিয়াবর্গের উদাহরণ- অস্ত্রসহ সৈন্যদল এগিয়ে চলেছে।

পরিচ্ছেদ ৩৩: উদ্দেশ্য ও বিধেয়

  • বাক্যকে ভাগ করা যায়- উদ্দেশ্য ও বিধেয় এ দুটি অংশে।
  • বাক্যে যাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয় তাকে বলে— উদ্দেশ্য।
  • বাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যা বলা হয় তা হলো— বিধেয়।
  • বিধেয় অংশে থাকে সাধারণত — ক্রিয়া।
  • উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে যেসব শব্দ ও বর্গ প্রসারিত করে তাদেরকে বলা হয়- প্রসারক।
  • বিধেয় ক্রিয়ার বিশেষ্য অংশকে বলা হয়- পূরক।
  • ‘সেলিম বারান্দায় বসে বই পড়ছে।’- বাক্যটিতে বিধেয়ের ক্রিয়ার পূরক হলো ‘বই’।
  • সাধারণত উদ্দেশ্যের পূর্বে বসে — উদ্দেশ্যের প্রসারক ।
  • সাধারণত বিধেয়ের প্রসারক বসে- বিধেয়ের পূর্বে।
  • বিধেয়ের স্থান ও কাল সংক্রান্ত প্রসারক বসতে পারে— উদ্দেশ্যের পূর্বে।

পরিচ্ছেদ ৩৪: সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য

  • গঠন-বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলা বাক্যকে ভাগ করা যায়- তিন ভাগে।
  • যে বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তার নাম – সরল বাক্য ।
  • সরল বাক্যে অনেক ক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকে- ক্রিয়া।
  • যে-সে, যারা তারা, যিনি-তিনি ইত্যাদি হলো— সাপেক্ষ সর্বনাম।
  • যত-তত, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি হলো— সাপেক্ষ যোজক।
  • পরস্পর অধীন একাধিক বাক্য সাপেক্ষ সর্বনাম বা সাপেক্ষ যোজক দ্বারা যুক্ত থাকে— জটিল বাক্য।
  • দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যোজকের মাধ্যমে যুক্ত থাকে— যৌগিক বাক্যে। জটিল বাক্যকে সরল বাক্যে
  • রূপান্তরের ক্ষেত্রে বাদ দিতে হয়— সাপেক্ষ সর্বনাম ও সাপেক্ষ যোজককে।
  • যৌগিক বাক্য গঠনে প্রয়োজন হয়— একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার।
  • যৌগিক থেকে সরল বাক্যে রূপান্তরের সময় সমাপিকা ক্রিয়াকে রূপান্তর করতে হয়— অসমাপিকা ক্রিয়ায়।
  • যৌগিক বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে যৌগিক বাক্যের যোজকের পরিবর্তে বসে— সাপেক্ষ সর্বনাম ও সাপেক্ষ যোজক।

পরিচ্ছেদ ৩৯: বাগর্থ

  • ভাষা ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো— মনের ভাব প্রকাশ।
  • শব্দ ও শব্দগুচ্ছের অর্থকে- বাগর্থ বলে।
  • শব্দের অর্থ— দুই রকমের।
  • শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে মনে যে বোধ জাগে, তা-ই শব্দের- বাচ্যার্থ।
  • অভিধানে প্রাধান্য দেওয়া হয়- শব্দের বাচ্যার্থকে।
  • বাচ্যার্থকে উপেক্ষা করে শব্দের যে আলাদা অর্থ তৈরি হয় তা হলো—লক্ষ্যার্থ।
  • লক্ষ্যার্থের আরেক নাম — গৌণার্থ ও বা লাক্ষণিক অর্থ।
  • ‘বর্ষ’ শব্দটি প্রসারিত অর্থ হলো— বছর।
  • অর্থসংকোচের ফলে একটি শব্দের পূর্ববর্তী অর্থের ব্যাপ্তি — কমে।
  • অর্থসংকোচের ফলে এখন ‘মৃগ’ শব্দের হয়েছে— হরিণ।
  • ইতিবাচক অর্থের শব্দ নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হওয়াকে বলে অর্থের- অবনতি।
  • বাক্যে প্রয়োগভেদে শব্দের অর্থ-বৈচিত্র — মানারকম হতে পারে।

পরিচ্ছেদ ৪০: বাগধারা

  • বাক্যের অর্থ যখন বাচ্যার্থকে ছাপিয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে বলে— বাগধারা।
  • ভাষা প্রাণবন্ত হয় এবং বাক্য অধিক ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে পারে বাগ্ধারার প্রয়োগে ।
  • আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করে না- বাগ্‌ধারা।
  • বাগধারা অতীত কালের যে ঘটনার স্মারক- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঘটনার।
  • ‘ইতর বিশেষ’ বাগধারাটির অর্থ- পার্থক্য।
  • ‘ঘোড়ার ডিম’ অর্থ— কিছুই না।
  • ‘চুনোপুঁটি’ অর্থ— সামান্য ব্যক্তি।
  • ‘ঠোট কাটা’ অর্থ- বেহায়া।
  • ডুব মারা’ অর্থ- পালিয়ে যাওয়া।
  • ‘সপ্তমে চড়া’ অর্থ— প্রচণ্ড উত্তেজনা।
  • ‘ধরাকে সরা জ্ঞান’ অর্থ- অহংকার করা।
  • ‘হাতেখড়ি’ অর্থ— শিক্ষার শুরু।

পরিচ্ছেদ ৪১: প্রতিশব্দ

  • যেসব শব্দের অর্থ অভিন্ন বা প্রায় সমান সেসব শব্দকে বলে – প্রতিশব্দ।
  • বাক্যের প্রকাশকে সাবলীল ও বাক্যের অর্থকে সুস্পষ্ট করতে খুঁজে নিতে হয় – যথাযথ প্রতিশব্দ ।
  • প্রতিশব্দের ব্যবহার নির্ভর করে— প্রসঙ্গের উপরে ।
  • ‘অশ্ব’ শব্দের প্রতিশব্দ— ঘোড়া, ঘোটক, হয়, তুরগ ইত্যাদি।
  • ‘আগুন’ শব্দের প্রতিশব্দ— অগ্নি, অনল, হুতাশন ইত্যাদি।
  • ‘কন্যা’ শব্দের প্রতিশব্দ – মেয়ে, দুহিতা, আত্মজা ইত্যাদি।
  • ‘চোখ’ শব্দের প্রতিশব্দ — চক্ষু, নয়ন, অক্ষি ইত্যাদি।
  • ‘নদী’ শব্দের প্রতিশব্দ- নদ, গাঙ, তটিনী ইত্যাদি।
  • ‘রাজা’ শব্দের প্রতিশব্দ নৃপতি, ভূপতি, বাদশাহ ইত্যাদি।
  • ‘সূর্য’ শব্দের প্রতিশব্দ— রাবি, তপন, সবিতা ইত্যাদি ।

পরিচ্ছেদ ৪২: বিপরীত শব্দ

  • যেসব শব্দ পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে তাদের বলে — বিপরীত শব্দ।
  • বিপরীত শব্দ হলো একে অন্যের পরিপূরক।
  • শব্দের পূর্বে অ, অন, অনা, অপ, অব দূর, না, নি, নির প্রভৃতি উপসর্গ যুক্ত করে তৈরি করা যায়— বিপরীত শব্দ ।
  • ‘অনুরক্ত’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— বিরক্ত।
  • ‘ইস্তফা’ শব্দের বিপরীত শব্দ— যোগদান ।
  • ‘ধৃষ্ট’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— নম্র।
  • ‘সাকার’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— নিরাকার।
  • ‘স্মৃতি’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— বিস্মৃতি।
  • ‘সাচ্চা’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— ভুয়া।
  • ‘হ্রাস’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো— বৃদ্ধি।

পরিচ্ছেদ ৪৩ | শব্দজোড়

  • উচ্চারণে অভিন্ন বা প্রায় কিন্তু অর্থে ভিন্ন এমন শব্দযুগলকে বলে— শব্দজোড়।
  • শব্দজোড় বাক্যে ব্যবহৃত হলে পার্থক্য বোঝা যায় – প্রসঙ্গ বিবেচনায় ।
  • ‘অপত্য’ অর্থ সন্তান এবং ‘অপথ্য’ অর্থ হলো— যা পথ্য নয় ।
  • ‘কমল’ অর্থ পদ্ম এবং ‘কোমল’ অর্থ— নরম ।
  • ‘অকূল’ শব্দের অর্থ— তীরহীন।
  • ‘অন্ন’ অর্থ ভাত এবং ‘অন্য’ অর্থ— অপর।
  • ‘আপণ’ অর্থ দোকান এবং ‘আপন’ অর্থ- নিজ ।
  • ‘দারা’ অর্থ স্ত্রী এবং ‘দ্বার’ অর্থ— দরজা।
  • ‘বিচি’ অর্থ বীজ এবং ‘বীচি’ অর্থ— ঢেউ।
  • ‘শরণ’ অর্থ আশ্রয় আর ‘স্মরণ’ মানে— স্মৃতি।

 

আপনার মন্তব্য করুন
Visited ৪০ times, ১ visit(s) today
Leave A Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!