সাম্প্রতিক পোস্ট
🔵2026 সালে বিভিন্ন বোর্ডে আসা বাংলা ১ম পত্রের MCQ উত্তরসহ🔵১৯৭১ (উপন্যাস) প্রশ্ন ও উত্তর🔵এসএসসি বাংলা ২য় পত্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যকণিকা: পরীক্ষা ২০২৬🔵English Second Paper Special Model Test for SSC 2026🔵প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা-২০২৬🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৬🔵২০২৬ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵Tag questions for SSC 26/27🔵Changing Sentence for SSC 26/27🔵Substitution Table🔵সুভা গল্পের এমসিকিউ🔵Dialogue Writing🔵বাংলাদেশের স্বাধীনতা: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়🔵Solitude🔵Stopping by Woods on a Snowy Evening🔵Time, You Old Gipsy Man🔵The Sands of Dee🔵Two Mothers Remembered🔵Books🔵O Me! O Life!🔵Most Important Appropriate Preposition for SSC Examination🔵বাংলাদেশ ও বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থা🔵Exercise on Suffixes and Prefixes with Answer for SSC 2026-2027🔵রচনা: বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প🔵English First Paper Model Test for SSC 2026-2027🔵Noun তৈরির কৌশল🔵বাংলাদেশের কৃষি: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন🔵🔵HSC English First Paper Seen Comprehension (Short Questions)🔵Preposition Exercises for HSC Exam🔵তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত🔵শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব: সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵বাংলায় অনুবাদ- নবম,দশম ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য🔵Preposition for SSC 2026🔵Use of suffix and prefix for SSC 2026🔵Tag Questions For SSC 2026🔵Right form of verbs for SSC 2026🔵নিমগাছ-সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵মানুষ মুহম্মদ (স.)- সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵সকালে ঘুম থেকে উঠার উপকারিতা🔵পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উপকারিতা: আধ্যাত্মিক থেকে শারীরিক সুবিধা🔵With Clues for SSC 2026🔵আম-আঁটির ভেঁপু🔵বই পড়া- সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর🔵সুভা।।বাংলা ১ম পত্র।। সৃজনশীল।। নবম-দশম শ্রেণি🔵Dialogue for SSC Exam🔵চতুর্থ শ্রেণির পরীক্ষার প্রস্তুতি।। প্রাথমিক বিজ্ঞান।। স্বাস্থ্যবিধি🔵জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ -প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জন-২০২৫)🔵৫ম শ্রেণির পড়াশোনা।। ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা।। আখলাক বা চরিত্র ও নৈতিক মূল্যবোধ🔵Dialogue & Story🔵Paragraph On Tree Plantation🔵Paragraph On Our School Library🔵Paragraph On The Life of a Farmer🔵সমাজে পরস্পরের সহযোগিতা।। প্রশ্ন ও উত্তর।। চতুর্থ শ্রেণি।। বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়🔵আমাদের পরিবেশ ও সমাজ।। বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর।। বাওবি।। চতুর্থ শ্রেণি🔵আমাদের পরিবেশ ও সমাজ।। সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর।। বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।। চতুর্থ শ্রেণি🔵English Model Question।। Class-4।। First Terminal Assessment🔵প্রাথমিক বিজ্ঞান।। চতুর্থ শ্রেণি।। ১ম প্রান্তিক মূল্যায়ন।। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর🔵এসএসসি জীববিজ্ঞান ফাইনাল সাজেশন🔵এসএসসি রসায়ন ফাইনাল সাজেশন🔵এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান ফাইনাল সাজেশন🔵এসএসসি আইসিটি (ICT) ফাইনাল সাজেশন🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও নিদর্শন🔵এসএসসি গণিত ফাইনাল সাজেশন🔵English Second Paper Final Suggestion for SSC Exam 2025🔵SSC 2025 English First Paper Final Suggestion🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: জীবনের জন্য পানি🔵With Clues for SSC Exam🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর: বায়ু🔵অধ্যায়ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: আমাদের পরিবেশ🔵অধ্যায় ভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন: পরিবেশ দূষণ🔵৫ম শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের নমুনা প্রশ্ন🔵পরিবেশ দূষণ🔵আমাদের পরিবেশ🔵সংকল্প ৫ম শ্রেণির বাংলা🔵এই দেশ এই মানুষ🔵Phrases PPT🔵এসএসসি ২০২৫ ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা সাজেশন🔵Classification of Tenses in English with Structure & Examples🔵Article Exercise🔵300 Most Important Appropriate Preposition🔵Parts of Speech🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (প্রাক- প্রাথমিক)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (৫ম শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (৪র্থ শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (৩য় শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (২য় শ্রেণি)🔵বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ২০২৫ (১ম শ্রেণি)🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৯ম-১০ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৭ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৫ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৪র্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৩য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ২য় শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক🔵২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন ও নম্বর বণ্টন🔵Parts of Speech🔵4 Letter Words for Primary Student🔵3 Letter Words for Primary Student🔵বাস্তব সংখ্যা: সৃজনশীল প্রশ্ন (এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি)🔵প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৪🔵বাংলা। তৃতীয় শ্রেণি। নমুনা প্রশ্ন। ২০২৪ সালের সর্বশেষ মূল্যায়ন নির্দেশিকা অনুসারে🔵ডিজিটাল প্রযুক্তি। অষ্টম শ্রেণি।🔵চারপাশের লেখার সাথে পরিচিত হই। দৃশ্যপটবিহীন ও দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন। বাংলা। ৭ম শ্রেনি।🔵বুঝে পড়ি লিখতে শিখি। দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন ও উত্তর। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵বুঝে পড়ি লিখতে শিখি। রচনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি। দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি। রচনামূলক প্রশ্ন। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵সাহিত্য পড়ি লিখতে শিখি। বাংলা। ৭ম শ্রেণি।🔵বুঝে পড়ি লিখতে শিখি। বাংলা । ৭ম শ্রেণি🔵চারপাশের লেখার সাথে পরিচিত হই। বাংলা। ৭ম শ্রেণি🔵অর্থ বুঝে বাক্য লিখি। বাংলা । ৭ম শ্রেণি🔵প্রমিত ভাষায় কথা বলি। বাংলা। ৭ম শ্রেণি🔵প্রমিত ভাষা শিখি। বাংলা। ষষ্ঠ শ্রেণি🔵ঐকিক নিয়ম, শতকরা এবং অনুপাত। গণিত। ষষ্ঠ শ্রেণি🔵নানা রকম আকৃতি মাপি। গণিত। সপ্তম শ্রেণি🔵ঘনবস্তুতে দ্বিপদী ও ত্রিপদী রাশি খুঁজি । গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵প্রয়োজন বুঝে যোগাযোগ করি । বাংলা। অষ্টম শ্রেণি🔵বৃত্তের খুঁটিনাটি (দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন)। গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵বৃত্তের খুঁটিনাটি । গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন ও উত্তর)। গনিত। অষ্টম শ্রেণি🔵বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি । গণিত। অষ্টম শ্রেণি🔵তথ্য বুঝে সিদ্ধান্ত নিই। গণিত । অষ্টম শ্রেণি🔵বিস্তার পরিমাপ। গণিত। নবম শ্রেণি🔵কৌণিক দূরত্ব পরিমাপে ত্রিকোণমিতি। গণিত । নবম শ্রেণি🔵বাস্তব সমস্যা সমাধানে সহসমীকরণ। নবম শ্রেণি। গণিত🔵পরিমাপে ত্রিকোণমিতি। গণিত। নবম শ্রেণি🔵চলো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হই। অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি🔵Transformation of Sentences Rules, Examples & Exercise🔵অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি। সমস্যার সমাধান চাই প্রোগ্রামিংয়ের জুড়ি নাই🔵অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি। নাগরিক সেবা ও ই-কর্মাসের সুযোগ গ্রহণ করি🔵অষ্টম শ্রেণির ডিজিটাল প্রযুক্তি। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি🔵লগারিদমের ধারণা ও প্রয়োগ। বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি🔵অনুক্রম ও ধারা। বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি ২০২৪🔵গনিত মডেল প্রশ্ন ২: বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি (অষ্টম শ্রেণি)🔵গনিত মডেল প্রশ্ন ১: বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি (অষ্টম শ্রেণি)🔵ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি: এক কথায় উত্তর🔵Adjective and Its Classification🔵ঘনবস্তুতে দ্বিপদী ও ত্রিপদী রাশি খুঁজি🔵আমাদের জীবনে প্রযুক্তি🔵গড়🔵শতকরা🔵৮ম শ্রেণির গণিত বিষয়ের দৃশ্যপটনির্ভর প্রশ্ন🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-৪🔵English Grammar & Literature Quiz-1🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-৩🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-২🔵সরকারি কর্মচারীর সম্পদ বিবরণী ফরম🔵এসএসসি গণিত (আবশ্যিক) মডেল টেস্ট-১🔵পরিসংখ্যান🔵দূরত্ব ও উচ্চতা🔵সসীম ধারা🔵বীজগাণিতিক রাশি🔵তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ও আমাদের বাংলাদেশ🔵অনুবাদ🔵সেট ও ফাংশন🔵Tag Questions for SSC Students🔵Exercise on Punctuation Marks for HSC Students🔵Exercise on Sentence Connectors for HSC Students🔵Exercise on Modifiers for HSC Students🔵Exercise on Right Form of Verbs for HSC Students🔵English Sample Question for Class Six🔵English Sample Question for Class 7🔵English Sample Question for Class Nine🔵English Sample Question for Class Eight🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের নবম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন নির্দেশনা🔵কোণের ধারণা🔵Narrative Style (Direct to Indirect and Vice Versa)🔵SSC English First Paper Model Test-10🔵SSC English First Paper Model Test-9🔵SSC English First Paper Model Test-8🔵SSC English Second Paper Model Test 16🔵Preposition Exercise🔵SSC English First Paper Model Test- 7🔵English Model Question-2 for Class Five🔵বাংলাদেশ বিষয়াবলি কুইজ🔵বাগধারা ও বাগবিধি কুইজ🔵English Literature Quiz🔵কারক🔵বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাস🔵এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵SSC English First Paper Model Test- 6🔵SSC English Second Paper Model Test 15🔵SSC English First Paper Model Test- 5🔵SSC English Second Paper Model Test 14🔵SSC English First Paper Model Test-4🔵English Model Question-1 for Class Five🔵SSC English First Paper Model Test-3🔵SSC English Second Paper Model Test 13🔵SSC English Second Paper Model Test 12🔵SSC English First Paper Model Test-2🔵SSC English First Paper Model Test-1🔵SSC English Second Paper Model Test 11🔵বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প🔵SSC English Second Paper Model Test 10🔵All in One Paragraph🔵ভারতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর🔵প্রাক ইসলামি আরব: জ্ঞান ও অনুধাবনমূলক প্রশ্ন🔵জিপিএফ ফরমসমূহ🔵SSC English Second Paper Model Test 9🔵২০২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণির শিক্ষক সহায়িকা🔵SSC English Second Paper Model Test 8🔵SSC English Second Paper Model Test 7🔵SSC English Second Paper Model Test 6🔵SSC English Second Paper Model Test 5🔵SSC English Second Paper Model Test 4🔵SSC English Second Paper Model Test 3🔵SSC English Second Paper Model Test 2🔵SSC English 2nd Paper Model Test 01🔵SSC English Second Paper Exam Preparation🔵জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন🔵এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র সাজেশন🔵এইচএসসি যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵হামলা-ভাঙচুর না চালানোর আহ্বান সেনাপ্রধানের🔵শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির ভাষণ🔵Appendix🔵বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়🔵বাংলা ভাষা🔵এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির এমসিকিউ সমাধান🔵HSC English Second Paper Solution Dhaka Board🔵HSC English Second Paper Solution Cumilla Board🔵এইচএসসি বাংলা ১ম পত্র MCQ সমাধান🔵এইচএসসি সমাজকর্ম ২য় পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵এইচএসসি সমাজকর্ম ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵HSC English First Paper Final Suggestion🔵HSC Englsih Second Paper Final Suggestion🔵এইচএসসি আইসিটি ফাইনাল সাজেশন🔵এইচএসসি অর্থনীতি ২য় পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵মানুষের মস্তিষ্ক🔵এইচএসসি অর্থনীতি ১ম পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵Paragraph: Lockdown🔵Without Clues for SSC Exam🔵এইচএসসি ইসলামের ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র ফাইনাল সাজেশন🔵এইচএসসি ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র ফাইনাল সাজেশন
শিখবে সবাই

বই পড়া- সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

বই পড়া

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

(১) পেশাজীবী দম্পতির একমাত্র সন্তান মাহিম। মায়ের ইচ্ছা সে একজন সফল প্রকৌশলী হবে। তাই মা সাবরিনা সিলেবাস বহির্ভূত কোনো বই পড়তে দেখলে অত্যন্ত বিরক্ত হন। তবে বাবা সাইফুল সাহেব পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। বাবার এমন অনুপ্রেরণায় মাহিম যেমন সহজেই বুয়েটে চান্স পায় তেমনই শুভ্র চিন্তা-চেতনায়ও সে হয়ে ওঠে সমৃদ্ধ।

(ক) সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অর্থ কী?

(খ) “বিদ্যার সাধনা শিষ্যকে নিজে অর্জন করতে হয়”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

(গ) উদ্দীপকের সাইফুল সাহেবের মধ্যে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

(ঘ) “প্রগতিশীল জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে উদ্দীপকের মাহিমের শুভ্র চিন্তা সমর্থনযোগ্য”- মন্তব্যটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

(ক) সাহিত্যচর্চার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার অর্থ জাতির জীবনীশক্তির হ্রাস করা।

(খ) “বিদ্যার সাধনা শিষ্যকে নিজে অর্জন করতে হয়” বলতে বোঝানো হয়েছে গুরু শিষ্যকে বিদ্যাদান করতে পারেন না, তিনি উত্তরসাধক মাত্র।

শিক্ষকের সার্থকতা শিক্ষাদান করায় নয়, ছাত্রকে শিক্ষা অর্জন করতে সক্ষম করায়। গুরু শিষ্যকে বিদ্যালাভের পথ দেখিয়ে দিতে পারেন, তার বুদ্ধিবৃত্তিকে জাগ্রত করে দিতে পারেন, তার জ্ঞানপিপাসাকে বাড়িয়ে দিতে পারেন। কিন্তু শিক্ষা ছাত্রের নিজেকে অর্জন করে নিতে হয়। যে ছাত্র নিজে থেকে শিক্ষা গ্রহণে তৎপর না হবে তাকে কোনোভাবেই শিক্ষাদান করা সম্ভব নয়। তাই বলা হয়েছে, বিদ্যার সাধনা শিষ্যকে নিজে অর্জন করতে হয়।

(গ) উদ্দীপকের সাইফুল সাহেবের মধ্যে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা হলো বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করা।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কখনো মানুষকে পরিপূর্ণ করে গড়ে তুলতে পারে না। কারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ্যবইয়ের বাইরে তেমন কিছুই পড়ানো হয় না। ফলে জীবন সমৃদ্ধ হয় না। আর জীবনকে সমৃদ্ধ করার প্রধান শর্ত হলো জ্ঞানভান্ডারকে পরিপূর্ণ করা। আর এজন্য প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি আরও নানা বই পড়ে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে হয়।

উদ্দীপকের সাইফুল সাহেব তার ছেলে মাহিমকে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি আরও নানা ধরনের বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করেন। বাবার এমন অনুপ্রেরণায় মাহিম শুভ্র চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক আসলে এই বিষয়টিরই অবতারণা করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হয়তো আমাদের উদরপূর্তির ব্যবস্থা করে কিন্তু নিজেকে সমৃদ্ধ করতে চাইলে পাঠ্যের বাইরে ও জ্ঞান অর্জন করতে হবে।সাহিত্যচর্চার সুফল সম্পর্কে তারা সন্দিহান। তারামনে করে সাহিত্যচর্চায় কোনো লাভ নেই। লেখক মনে করেন, তাদের এই ধারণা মূলত মহাভ্রান্তি। উদ্দীপকের মিসেস তামিমার মধ্যেও ঠিকএই দিকটিই ফুটে উঠেছে।

(ঘ) উদ্দীপকের হাবীব রহমানের কথায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূল চেতনারই যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে।- মন্তব্যটি যৌক্তিক।

বই পড়ে এবং ভ্রমণ করে মানুষ বিচিত্র বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এর মধ্যে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করা অপেক্ষাকৃত সহজ। বই হলো জ্ঞানের সমুদ্র। পাঠ্যবইয়ের বাইরে বিভিন্ন বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ সাহিত্যচর্চাকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এভাবে সাহিত্যচর্চার ফলে মানুষ নিজের জ্ঞানের প্রসার ও বিকাশ সাধন করতে পারে।

উদ্দীপকের মিসেস তামিমা মনে করেন প্রাতিষ্ঠানিক বইয়ের বাইরে অন্য কোনো বই পড়া সময় ও অর্থের অপচয় মাত্র। কিন্তু তার স্বামী হাবীব রহমান স্ত্রীর এই ধারণার ঘোর বিরোধী। তিনি তার মেয়ের জন্য জীবনী, গল্প, উপন্যাস এসব অপ্রাতিষ্ঠানিক বই কিনে দেওয়াতে কখনো আপত্তি করেন না। তিনি বলেন- মনের বিকাশের জন্য, আলোকিত হওয়ার জন্য সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই।

প্রবন্ধটিতে লেখক আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অসংগতি, অপূর্ণতা, অতীতের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব, বই পড়ার গুরুত্ব ইত্যাদি দিক তুলে ধরেছেন। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের সারকথা হচ্ছে বই পড়ে এবং সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে জীবনকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে তোলা। উদ্দীপকের হাবীব রহমানের বক্তব্যে এই চেতনাই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।

(২) মিসেস তামিমা মেয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বই ছাড়া অন্য কোনো বই পড়া সময় আর অর্থের অপচয় মনে করেন। মেয়ের হাতে কোনো গল্প- উপন্যাস দেখলেই ঘোর আপত্তি তার। তিনি মনে করেন- ভালো প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল, এরপর ভালো চাকরি- এই তো জীবন। কিন্তু স্বামী হাবীব রহমান স্ত্রীর এই ধারণার ঘোর বিরোধী- আর তাই তো মেয়ের জন্য অপ্রাতিষ্ঠানিক বই বিশেষ করে জীবনী, গল্প-উপন্যাস- এইসব কিনে দেওয়াতে কখনো আপত্তি করেন না। তিনি বলেন- মনের বিকাশের জন্য, আলোকিত হওয়ার জন্য সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই।

(ক) কোনটি শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ?

(খ) দেহের মৃত্যুর রেজিস্টারি রাখা হয়, আত্মার হয় না।’- কেন বলা হয়েছে?

(গ) উদ্দীপকের মিসেস তামিমার মধ্যে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

(ঘ) উদ্দীপকের হাবীব রহমানের কথায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূল চেতনারই যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে। – মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার কর।

উত্তর

(ক) শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ হলো সাহিত্যচর্চা।

(খ) আমাদের দেশে স্কুল-কলেজের ভুল শিক্ষাপদ্ধতি কীভাবে ছাত্রদের শিক্ষার ব্যাপারে নিস্পৃহ করে রাখে সেই প্রসঙ্গেই উক্তিটি করা হয়েছে।

দেহ ও আত্মার সমন্বয়ে মানুষ। মানুষের মৃত্যু হয় একই সঙ্গে দৈহিক ও আত্মিক। দৈহিক মৃত্যুটা সবার দৃষ্টিগোচর হয়। কিন্তু দৈহিকভাবে বেঁচে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তির আত্মিক মৃত্যু ঘটে। এই আত্মিক মৃত্যুর কথা কেউ ভাবেও না, জানেও না। এ দেশে ভুল শিক্ষাপদ্ধতির কারণে কত ছেলের যে শিক্ষা সম্পর্কে ভীতি ও অনীহা সৃষ্টি হয় সেটির হিসাব কেউ রাখে না। ফলে প্রাণস্ফূর্তি নিয়ে বেড়ে ওঠার পরিবর্তে ভীতি ও অপ্রাপ্তির পিছনে ছুটতে ছুটতে তার আত্মার মৃত্যু ঘটে। শিক্ষার্থীর এই আত্মিক মৃত্যুর প্রসঙ্গেই প্রাবন্ধিক বলেছেন, ‘দেহের মৃত্যুর রেজিস্টারি রাখা হয়, আত্মার হয় না।’

(গ) উদ্দীপকের মিসেস তামিমার মধ্যে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের শিক্ষার ফল লাভের দিক তথা নগদ বাজার দরের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

শিক্ষার উদ্দেশ্য মনুষ্যত্ববোধ জাগিয়ে তোলা। সেই জাগরণ ঘটাতে না পারলে সেটাকে প্রকৃত শিক্ষা বলা যায় না। প্রকৃত শিক্ষা লাভ করার জন্য তাই জ্ঞানচর্চা করতে হয়। এই জ্ঞানচর্চার অন্যতম একটি কার্যকর মাধ্যম হলো বিভিন্ন ধরনের বই পড়া। তবে কিছু নির্বোধ পাঠ্যবইয়ের অতিরিক্ত বই পড়াকে নিরর্থক মনে করে।

উদ্দীপকের মিসেস তামিমা মেয়ের প্রাতিষ্ঠানিক বই ছাড়া অন্য কোনো বই পড়াকে সময় আর অর্থের অপচয় মনে করেন। মেয়ের হাতে কোনো গল্প-উপন্যাস দেখলেই ঘোর আপত্তি তার। তিনি মনে করেন ভালো প্রাতিষ্ঠানিক ফলাফল, এরপর ভালো চাকরি পাওয়া- এটাই জীবনের সফলতা। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে এ ধরনের মানুষ সম্পর্কে লেখক বলেছেন যে তারা মহাভ্রান্তির মধ্যে আছে। তিনি বলেন যে আমাদের শিক্ষিত সমাজে এমন কিছু মানুষ আছে যারা অর্থের উপর লোলুপদৃষ্টি দেয়। সাহিত্যচর্চার সুফল সম্পর্কে তারা সন্দিহান। তারা মনে করে সাহিত্যচর্চায় কোনো লাভ নেই। লেখক মনে করেন, তাদের এই ধারণা মূলত মহাভ্রান্তি। উদ্দীপকের মিসেস তামিমার মধ্যেও ঠিক এই দিকটিই ফুটে উঠেছে।

(ঘ) উদ্দীপকের হাবীব রহমানের কথায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের মূল চেতনারই যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে। মন্তব্যটি যৌক্তিক।

বই পড়ে এবং ভ্রমণ করে মানুষ বিচিত্র বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। এর মধ্যে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করা অপেক্ষাকৃত সহজ। বই হলো জ্ঞানের সমুদ্র। পাঠ্যবইয়ের বাইরে বিভিন্ন বই পড়ার মাধ্যমে মানুষ সাহিত্যচর্চাকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এভাবে সাহিত্যচর্চার ফলে মানুষ নিজের জ্ঞানের প্রসার ও বিকাশ সাধন করতে পারে।

উদ্দীপকের মিসেস তামিমা মনে করেন প্রাতিষ্ঠানিক বইয়ের বাইরে অন্য কোনো বই পড়া সময় ও অর্থের অপচয় মাত্র। কিন্তু তার স্বামী হাবীব রহমান স্ত্রীর এই ধারণার ঘোর বিরোধী। তিনি তার মেয়ের জন্য জীবনী, গল্প, উপন্যাস এসব অপ্রাতিষ্ঠানিক বই কিনে দেওয়াতে কখনো আপত্তি করেন না। তিনি বলেন- মনের বিকাশের জন্য, আলোকিত হওয়ার জন্য সাহিত্যচর্চার বিকল্প নেই।

প্রবন্ধটিতে লেখক আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, অসংগতি, অপূর্ণতা, অতীতের শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা, সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব, বই পড়ার গুরুত্ব ইত্যাদি দিক তুলে ধরেছেন। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের সারকথা হচ্ছে বই পড়ে এবং সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে জীবনকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে তোলা। উদ্দীপকের হাবীব রহমানের বক্তব্যে এই চেতনাই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নে প্রদত্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।

(৩) কালাম পাঠ্যবইয়ের পাশাপশি বিভিন্ন বই পড়তে ভালোবাসে। অবসর সময়ে সে নানা রকম বই পড়ে। সে মনে করে অন্যান্য বই পড়লে তার জ্ঞানের রাজ্য অনেক বেশি সমৃদ্ধ হবে। সে বই পড়ার আগ্রহ থেকে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সদস্য হয়। তার মা কখনো তাকে বাধা না দিলেও বাবাসহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন বিষয়টি ভালো চোখে দেখে না। তাঁরা মনে করে ভালো ফলাফল করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শুধু পাঠ্যবই পড়াই বাঞ্ছনীয়।

(ক) প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম কী?

(খ) সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর।

(গ) উদ্দীপকে কালামের বাবা ও অন্যান্য আত্মীয়দের মানসিকতায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে ভাব ফুটে উঠেছে- তা ব্যাখ্যা কর।

(ঘ) “উদ্দীপকের কালাম যেন ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের মানসপুত্র।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর

(ক) প্রথম চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ‘বীরবল’।

(খ) স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য তথা সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনেক।

সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চাপে পড়ে ব্যক্তি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ে। তখন তারা প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করতে পারে না। শিক্ষার আসল মাহাত্ম্য তখনই উপলব্ধ হয় যখন ব্যক্তি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়। আর এজন্য আমাদের বই পড়তে হবে এবং সাহিত্যচর্চা করতে হবে। আর সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরিই একমাত্র জায়গা যেখানে ব্যক্তি তার পছন্দমতো বই পড়ে নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। তাই স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া তথা সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

(গ) উদ্দীপকে কালামের বাবা ও অন্য আত্মীয়দের মানসিকতায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে ভাব ফুটে উঠেছে সেটি হলো লেখাপড়া করা হয় শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য।

আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে না। সেখানে তাদের শিক্ষা গেলানো হয়। আর অভিভাবকরাও এমন শিক্ষাই চায়। তারা ভাবে যে পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়ে অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা করাই যথার্থ শিক্ষা। ফলে ব্যক্তির জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পায় না। আর সে সুশিক্ষিত হতে পারে না।

উদ্দীপকে দেখা যায়, কালাম পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বই। পড়তে ভালোবাসে। অবসর সময়ে সে নানা রকম বই পড়ে। তার মা তাকে কখনো বাধা দেয় না, কিন্তু বাবাসহ অন্য আত্মীয়স্বজন বিষয়টি ভালোভাবে দেখে না। তারা মনে করেন ভালো ফলাফল করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শুধু পাঠ্যবই পড়াই বাঞ্ছনীয়। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক এ ধরনের চিন্তার সমালোচনা করেছেন। লেখক বলেছেন, মানুষ শুধু অর্থ উপার্জনের জন্যই পড়াশোনা করে। যার ফলে পড়াশোনা শেষে মানুষ জীর্ণ হয়ে বের হয়। তার মধ্যে আর প্রাণশক্তি থাকে না। শিক্ষাকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম মনে করলে কেউ সুশিক্ষিত হতে পারে না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে কালামের বাবা ও অন্য আত্মীয়দের মানসিকতায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হলো শিক্ষা- এই ভাব ফুটে উঠেছে।

(ঘ) “উদ্দীপকের কালাম যেন ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের মানসপুত্র।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

শিক্ষা অর্জনের অন্যতম উপায় হলো বই পড়া। যথার্থ শিক্ষা অর্জন করতে চাইলে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বই পড়তে হয়। তা না হলে জ্ঞানের পরিধি সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। তাই নিজেকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাইলে সব ধরনের বই পড়ার বিকল্প নেই।

উদ্দীপকের কালাম পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বই পড়তে ভালোবাসে। অবসর সময়ে সে নানা রকম বই পড়ে। সে মনে করে। অন্যান্য বই পড়লে তার জ্ঞানের ভাণ্ডার অনেক বেশি সমৃদ্ধ হবে। বই পড়ার এই আগ্রহ থেকে সে জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সদস্য। হয়। কালামের এই চিন্তা-ভাবনাই ‘বই পড়া’ প্রবন্ধেও মূল সুর।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক এমনই ভাব ফুটিয়ে তুলেছেন। সেখানে দেখা যায়, যথার্থ শিক্ষিত হতে চাইলে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।। লেখক শিক্ষাব্যবস্থার সমালোচনা করে ব্যক্তিকে স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন। আর এজন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। কেননা লাইব্রেরিতে মানুষ নিজের। ইচ্ছামতো শিক্ষা লাভ করে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে। প্রগতিশীল! জগতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চাইলে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া আবশ্যক বলে লেখক মনে করেন। মূলত ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক জাতির মানসিক বিকাশ ও সমৃদ্ধিতে বই পড়া, জ্ঞান ও সাহিত্যচর্চার। গুরুত্বের কথা তুলে ধরেছেন। এই একই ধরনের উপলব্ধি উদ্দীপকের কালামের মধ্যেও পাওয়া যায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কালাম যেন ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের মানসপুত্র।

(৪) পেশা তার দর্জিগিরি কিন্তু নেশা তার বই পড়া। বাল্যকালে পিতা মারা যাওয়ায় পঞ্চম শ্রেণির পর আর পড়তে পারেনি কাশেম মিয়া। তবে বই পড়ার নেশা থেকেই বাড়ির পাশে প্রায় দুই হাজার বই নিয়ে গড়ে তুলেছে ‘স্বপ্ন গড়ি লাইব্রেরি’। গ্রামের ছোট-বড় সবাই সেখানে জ্ঞানচর্চা করে। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বইও পড়ে। কিন্তু ব্যবসায়ী মামুন মোল্যা তার সন্তানকে ঐ লাইব্রেরিতে যেতে নিষেধ করে বলেন, “তোমার এত জ্ঞান অর্জনের দরকার নেই, বাসায় প্রাইভেট শিক্ষক রেখেছি। তাঁর কাছে পড়ে (এ+) অর্জন করো।”

(ক) পেশাদারদের মহাভ্রান্তি কী?

(খ) সাহিত্যচর্চার সুফল সম্বন্ধে অনেকেই সন্দিহান কেন?

(গ) উদ্দীপকের মামুন মোল্যার মনোভাব ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের যে দিকটি নির্দেশ করে তা ব্যাখ্যা কর।

(ঘ) “কাশেম মিয়ার উদ্যোগের মধ্যেই প্রমথ চৌধুরীর আকাঙ্ক্ষার যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে”- মন্তব্যটির যৌক্তিকতা যাচাই কর।

উত্তর

(ক) যে কথা জজে শোনে না, তার যে কোনো মূল্য নেই; এটাই হচ্ছে পেশাদারদের মহাভ্রান্তি।

(খ) সাহিত্যচর্চার সুফল হাতে হাতে পাওয়া যায় না বলে এর সুফল সম্বন্ধে অনেকেই সন্দিহান।

আমাদের শিক্ষিত সমাজের লোলুপ দৃষ্টি আজ অর্থের ওপরেই পড়ে রয়েছে। তাই তারা সাহিত্যসাধনা না করে অর্থসাধনা করে। কেননা সাহিত্যের কোনো নগদ বাজারদর নেই। এর ফল হাতে হাতে পাওয়া যায় না এবং তা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ নেই। ফলে সাহিত্যচর্চার সুফল সম্বন্ধে অনেকেই সন্দিহান।

(গ) উদ্দীপকের মামুন মোল্যার ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে উল্লিখিত প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষিত হওয়ার দিকটিকে নির্দেশ করে।

পাঠ্যবই পড়ে কেবল সার্টিফিকেট অর্জন করা যায়, যথার্থ জ্ঞান অর্জন করা যায় না। তাই পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বইও পড়া দরকার। তবেই প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া যাবে।

উদ্দীপকে মামুন মোল্যা তার ছেলেকে লাইব্রেরিতে যেতে নিষেধ করেন। সার্টিফিকেট লাভ করাটাই তাঁর কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। জ্ঞান অর্জনের প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। এ ধরনের মানসিকতা প্রসঙ্গে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখক পাশ করা ও শিক্ষিত হওয়া যে এক বস্তু নয় সেই বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। অনেকেরই ধারণা, দেশে যত ছেলে পাশ করছে ততই শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে। অথচ শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য পাশ করে সার্টিফিকেট অর্জন নয়। শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য জ্ঞান অর্জন করা। আর বেশি বেশি বই পড়ার মাধ্যমে এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হতে পারে। সুতরাং উদ্দীপকের মামুন মোল্যার মনোভাব ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের তথাকথিত শিক্ষিত হওয়ার দিকটিকে নির্দেশ করে।

(ঘ) কাশেম মিয়া লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করে সবার মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলে, যার উদ্যোগের মধ্যে প্রমথ চৌধুরীর আকাঙ্ক্ষার যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে।

জ্ঞান অর্জনে বেশি বেশি বই পড়া দরকার। সাহিত্যচর্চা করা দরকার। আর এর জন্য প্রয়োজন লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করা। কেননা লাইব্রেরিতে গিয়েই মানুষ স্বেচ্ছায় চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী বই পড়ার সুযোগ পায়।

উদ্দীপকের কাশেম মিয়া নিজ উদ্যোগে একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করে। সেখানে সব ধরনের বইয়ের সমাহার আছে। তার লাইব্রেরিতে গিয়ে ছোট-বড় সবাই জ্ঞানচর্চা করে। এভাবে সবার মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। এমন আকাঙ্ক্ষা ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের মধ্যেও দেখতে পাওয়া যায়।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বই পড়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ঘাটতি দূর করার জন্য ব্যাপকভাবে বই পড়তে বলেছেন। তিনি বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানোর জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন। কেননা লাইব্রেরিতে গিয়ে স্বেচ্ছায় নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়ে শিক্ষিত হওয়া যায়। লেখকের এই আকাঙ্ক্ষার যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে উদ্দীপকের কাশেম মিয়ার উদ্যোগের মধ্যে। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

(৫) প্রতিভা বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি অন্যান্য জীবনমুখী বই-পুস্তক পড়ার প্রতি উৎসাহিত করেন। তিনি আরো বলেন, সাহিত্য মানুষের মনকে সুন্দর করে। আর সুন্দর মনের মানুষেরা জ্ঞানী হয়। ১০ম শ্রেণির ছাত্রী মাইশা তার মায়ের কাছে প্রধান শিক্ষকের উপদেশবাণীর কথা বললে, মা ধমক দিয়ে বলেন, আগে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন কর। তারপর অন্যান্য বই- পুস্তক পড়ার চিন্তা কর।

(ক) দর্শনের চর্চা কোথায় হয়?

(খ) “সুশিক্ষিত লোকমাত্রই স্বশিক্ষিত”- ব্যাখ্যা কর।

(গ) উদ্দীপকের মাইশার মায়ের কোন দিকটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে ফুটে উঠেছে? ব্যাখ্যা কর।

(ঘ) “উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক যেন ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের সার্থক প্রতিনিধি।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

(ক) দর্শনের চর্চা হয় গুহায়।

(খ) “সুশিক্ষিত লোকমাত্রই স্বশিক্ষিত” বলতে বোঝানো হয়েছে, যে-শিক্ষা নিজে স্বচ্ছন্দচিত্তে ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অর্জন করে।

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে ভেতর থেকে মানুষ করে তোলা। যে মানুষ স্কুল-কলেজের শিক্ষাই শুধু নয়, নিজ অনুসন্ধিৎসা ও আগ্রহে জ্ঞানের নানা বিষয়ে অবগাহন করেছেন তিনি সুশিক্ষিত। এই শিক্ষা নিজে নিজে অর্জন করতে হয়। শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না। শিক্ষক কেবল শিক্ষার্থীকে পথ দেখাতে পারেন, কৌতূহল বাড়াতে পারেন, বুদ্ধিবৃত্তিকে জাগ্রত করতে পারেন; মনোরাজ্যের ঐশ্বর্যের সন্ধান দিয়ে তার জ্ঞান পিপাসাকে বাড়িয়ে তুলতে পারেন। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ মনুষ্যত্ব অর্জন করে সমাজের কল্যাণ সাধন করে থাকেন। এ কারণেই সুশিক্ষিত লোককেই লেখক স্বশিক্ষিত বলেছেন।

(গ) উদ্দীপকের মাইশার মায়ের শিক্ষার ফললাভের দিকটি ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে ফুটে উঠেছে।

জ্ঞানচর্চার জন্য বই পড়া একান্ত জরুরি। কিন্তু কিছু মানুষ মনে করে পাঠ্যবইয়ের বাইরে বই পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তাদের কাছে শিক্ষার নগদ বাজারদরটাই মুখ্য।

উদ্দীপকের মাইশা দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য জীবনমুখী বই পড়তে উৎসাহিত করেন। প্রধান শিক্ষকের এ উপদেশবাণী মাইশার মা শুনে মাইশাকে ধমক দেন এবং শুধু পাঠ্যবই পড়ে ভালো ফলাফল অর্জন করতে বলেন। মাইশার মায়ের এ আচরণে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রতিফলিত শিক্ষার ফললাভ বা নগদ বাজারদরের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে- আমরা সব সময় শিক্ষার ফল লাভের জন্য উদ্বাহ্ণ। আমরা বিশ্বাস করি শিক্ষা আমাদের গায়ের জ্বালা ও চোখের জল দূর করবে। আমরা সাহিত্যের রস উপভোগ করতে প্রস্তুত নই যা মাইশার মায়ের আচরণেও প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের মাইশার মায়ের শিক্ষার ফললাভের দিকটি আলোচ্য প্রবন্ধে ফুটে উঠেছে।

(ঘ) উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষক যেন ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের লেখকের সার্থক প্রতিনিধি।”- মন্তব্যটি যথার্থ।

শিক্ষা হচ্ছে জীবন ও জগতের কল্যাণ সাধনে আনন্দের মধ্য দিয়ে প্রাপ্ত ব্যবহারযোগ্য জ্ঞান। শিক্ষা স্বেচ্ছায় আনন্দচিত্তে গ্রহণ করার। বিষয়। শিক্ষা অর্জনের জন্য মানুষকে বই পড়তে হয়। বই পড়ার। মাধ্যমেই মানুষ জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে পারে।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক পাঠে অনীহার কারণ হিসেবে আমাদের বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে আমাদের হৃদয়বৃত্তিকে প্রস্ফুটিত না করে তা নষ্ট করে দেয় সেই দিকটি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি স্কুল-কলেজে জোর করে বিদ্যা গেলানো এবং শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই মুখস্থ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলে সৃষ্টিশীলতাকে নষ্ট করার কথা বলেছেন। এসব হীন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য, স্বশিক্ষা অর্জনের জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা এবং বই পড়ার প্রতি লেখক বিশেষ জোর দিয়েছেন। যাতে শিক্ষার্থীরা তাদের বুচি ও পছন্দ অনুযায়ী বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। লেখকের এই দিকটি উদ্দীপকের প্রতিভা বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের চিন্তাধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের জন্য মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি অন্যান্য জীবনমুখী বই-পুস্তক পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন সাহিত্য মানুষের মন সুন্দর করে। আর সুন্দর মনের মানুষেরা জ্ঞানী হয়।

‘বই পড়া’ প্রবন্ধে লেখক যথার্থ শিক্ষিত হয়ে মনের প্রসার ঘটানোর জন্য বই পড়তে বলেছেন। এ কারণে তিনি লাইব্রোরকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ মানুষ সেখানে গিয়ে পছন্দমতো বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে। লেখক মানসিক বিকাশ ও জ্ঞানলাভের জন্য বই পড়তে উৎসাহিত করেছেন। লেখকের সেই পরামর্শের সঙ্গে উদ্দীপকের প্রধান শিক্ষকের পরামর্শ একসূত্রে গাঁথা। তিনি শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য ভালো বই পড়ে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ওঠার পরামর্শ দিয়েছেন। এসব দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

(৬) মোহিনীদেবী আর শৈলবালা দুই বান্ধবী। দুজনের ছেলেই এবার পঞ্চম । শ্রেণিতে। মোহিনীদেবী এ বয়সেই তার ছেলে অমিতকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার বানিয়ে ফেলতে চান। খেলাধুলা ও আমোদ-প্রমোদ বাদ দিয়ে সব সময় লেখাপড়ার চাপে রাখেন। এতে অমিত মানসিকভাবে | অসুস্থ হয়ে পড়ে। অপরদিকে শৈলবালা মোহিনীদেবীর বিপরীত। ছেলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করেন না। পাঠ্যবইয়ের বাইরে ছেলে যে বই পড়তে ভালোবাসে লাইব্রেরি থেকে এনে পড়তে দেন। এতে পড়ালেখার প্রতি ছেলের আগ্রহ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায় এবং সে মানসিকভাবে চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

(ক) ‘কারদানি’ শব্দের অর্থ কী?

(খ) ইংরেজি সভ্যতার সংস্পর্শে এসেও আমরা ডেমোক্রেসিকে কীভাবে আয়ত্ত করেছি? বুঝিয়ে লেখ।

(গ) উদ্দীপকের মোহিনীদেবীর কর্মকান্ডে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের কোন বিষয়টির ছায়াপাত ঘটেছে? ব্যাখ্যা কর।

(ঘ) শৈলবালার মানসিকতায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের প্রত্যাশার সঠিক প্রতিফলন ঘটেছে কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তিপূর্ণ মতামত দাও।

উত্তর

(ক) ‘কারদানি’ শব্দের অর্থ বাহাদুরি।

(খ) ইংরেজি সভ্যতার সংস্পর্শে এসেও আমরা ডেমোক্রেসিকে আয়ত্ত করেছি তার দোষগুলোকে আত্মসাৎ করে।

সাহিত্যচর্চা শিক্ষার সর্বপ্রধান অঙ্গ হলেও লোকে তা সন্দেহ করে। কেননা সাহিত্যচর্চার ফল হাতে হাতে পাওয়া যায় না। আমরা শিক্ষার বৈষয়িক ফল লাভে আগ্রহী। আমাদের দেশে ডেমোক্রেসি শুধু অর্থের সার্থকতা বোঝে। ডেমোক্রেসি বা গণতন্ত্রের যারা সূত্রপাত করেন তারা সব মানুষকে সমান করে সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু এই সাম্যের ব্যাপারটির প্রতিফলন না করে গণতন্ত্র চর্চার উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে সকলের বড়লোক হওয়ার ইচ্ছায়, যা সমাজের জন্য, সাহিত্যের জন্য ক্ষতির কারণ। গণতন্ত্রের মহৎ গুণাবলি থাকলেও সেগুলো বর্জন করে মন্দ দিকগুলোকে আয়ত্ত করা হয়েছে। সুসভ্য ইংরেজ জাতির সংস্পর্শে এসে তাদের গুণাবলি আমরা চর্চা করি না, বরং নেতিবাচক দিকগুলোর প্রতিই যেন আমাদের বেশি আকর্ষণ।

(গ) উদ্দীপকের মোহিনীদেবীর কর্মকান্ডে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের জোর করে বিদ্যা গেলানোর বিষয়টির ছায়াপাত ঘটেছে।

শিক্ষা মানুষের আত্মিক ও মানসিক বিকাশ সাধন করে। যে শিক্ষার মধ্যে আনন্দের স্পর্শ নেই সেটা মানবজীবনে কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। প্রকৃত শিক্ষা মানুষের অন্তরকে বিকশিত করে।

উদ্দীপকের মোহিনীদেবীর ছেলে অমিত পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অমিতের ইচ্ছা না থাকলেও মা খেলাধুলার পরিবর্তে পড়াশোনা করতে চাপ প্রয়োগ করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। উদ্দীপকের মোহিনীদেবীর কর্মকান্ডের সঙ্গে ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের স্কুল-কলেজের শিক্ষাব্যবস্থায় মিল আছে। শিক্ষা মানুষ আনন্দের সঙ্গে ও স্বেচ্ছায় গ্রহণ করে। ফলে মানুষের মানসিক ও আত্মিক বিকাশ সাধিত হয়। – মূল্যবোধের শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। কিন্তু স্কুল-কলেজে জোর করে বিদ্যা – গেলানো হয়, শিক্ষার্থী সেটা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক। ফলে – শিক্ষার্থী দুর্বলচিত্তের অধিকারী হয়ে শিক্ষাজীবন শেষ করে। | মূল্যবোধের বিকাশ, বুদ্ধির বিকাশ তার হয় না। নিজের ইচ্ছার – বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চাপ দিয়ে পড়ানোয় উদ্দীপকের অমিত যেমন অসুস্থ হয়ে পড়ে তেমনই স্কুল-কলেজে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষা শেষে ছাত্রদের আপন বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। এভাবে উদ্দীপকের মোহিনীদেবীর কর্মকাণ্ডে আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় ছাত্রদের জোর করে বিদ্য গেলানোর বিষয়টির ছায়াপাত ঘটেছে।

(ঘ) হ্যাঁ, শৈলবালার মানসিকতায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের প্রত্যাশার সঠিক প্রতিফলন ঘটেছে।

শিক্ষা মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে। অন্তরের সুকুমার বৃত্তিগুলোর জাগরণ ঘটিয়ে মানুষকে প্রকৃত মনুষ্যত্বের সন্ধান দেয়। শুধু পাঠ্যপুস্তক পড়ে প্রকৃত শিক্ষা অর্জিত হয় না। শিক্ষার ভেতরে আনন্দ না থাকলে সেই শিক্ষা কারও জীবনে সুফল বয়ে আনে না।

উদ্দীপকের শৈলবালা ছেলের শিক্ষার ব্যাপারে ছেলের ইচ্ছাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। পাঠ্যপুস্তকের বাইরে ছেলে যেন আরও বই পড়তে পারে সেজন্য লাইব্রেরি থেকে বই এনে পড়তে দিয়েছেন। এতে পড়ার প্রতি ছেলের আগ্রহ ও মানসিক প্রফুল্লতা বেড়ে যায়। উদ্দীপকে শৈলবালার মানসিকতায় ‘বই পড়া’ প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর প্রত্যাশার সঠিক প্রতিফলন ঘটেছে। প্রাবন্ধিক মনে করেন শিক্ষা কেউ কাউকে দিতে পারে না। সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত। তিনি শিক্ষার মানোন্নয়নে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন; আর শৈলবালা সন্তানের জন্য লাইব্রেরি থেকে বই এনেছেন। কারণ লাইব্রেরিতে মানুষ স্বেচ্ছায় বিচিত্র ধরনের বই পড়ে। এতে মানুষের মনের সংযোগ থাকে। আনন্দের মধ্য দিয়ে শিখলে মানসিক বিকাশ সাধন হয়। মূল্যবোধ সৃষ্টির জন্য বই পড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাবন্ধিক। আর বই পড়ার জন্য লাইব্রেরির বিকল্প নেই।

উদ্দীপকের শৈলবালা সন্তানের শিক্ষার জন্য পাঠ্যবইয়ের বাইরে ছেলের পছন্দ অনুযায়ী বই এনে দিয়েছেন। ‘বই পড়া’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক প্রকৃত শিক্ষার জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছেন। তাই বলা যায়, শৈলবালার মানসিকতায় শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর প্রত্যাশারই প্রতিফলন ঘটেছে।

আপনার মন্তব্য করুন
Visited ২৯৮ times, ১ visit(s) today
Leave A Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!